রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৯, ০৪:০৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
খাঁচায় বন্দি আমন্ত্রণপত্রে প্রধানমন্ত্রীকে বিয়ের দাওয়াত সাব্বিরের কাশ্মীর উপত্যকায় শান্তি ফেরাতে কেন্দ্রের চার তাবিজহুমকিতে চামড়া শিল্প: কারসাজিতে সক্রিয় ট্যানারি মালিকদের শক্তিশালী সিন্ডিকেট * পূর্বপ্রস্তুতির ঘাটতি ছিল সরকারের কাশ্মীর উপত্যকায় শান্তি ফেরাতে কেন্দ্রের চার তাবিজ আফগানিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় নিহত ২০ ৬ হিন্দু পরিবারের ইসলাম গ্রহণ, প্রস্তুত আরও ৫০ পরিবার! গ্রিনল্যান্ড কিনতে চান ট্রাম্প! ইসলামিক জীবনযাপনেই বেশি শান্তি পায়: জুনায়েদ সিদ্দিকী প্রশিক্ষণে গিয়েও মাদক দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি, এএসপি বহিষ্কার ফেসবুকে মেয়ে সেজে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ, আটক ছাত্রলীগ নেতা কাশ্মীর ইস্যুতে রাশিয়ার আহ্বানে চমকে গেল ভারত
আফ্রিকার প্রাচীন গাছগুলো মরে যাওয়ায় চিন্তিত বিজ্ঞানীরা

আফ্রিকার প্রাচীন গাছগুলো মরে যাওয়ায় চিন্তিত বিজ্ঞানীরা

আফ্রিকার প্রাচীন গাছগুলো মরে যাওয়ায় চিন্তিত বিজ্ঞানীরা

আফ্রিকার দক্ষিন অঞ্চলের হাজার হাজার বছরের পুরনো গাছগুলো মরে যেতে শুরু করেছে।

বাওব্যাব নামের এসব গাছের বয়স ১ হাজার থেকে আড়াই হাজার বছর। আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশজুড়ে এসব গাছ ছড়িয়ে রয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন, বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন আর আফ্রিকার সবচেয়ে বড় বাওব্যাব গাছগুলো প্রায় ১২ বছর ধরে মরে যাচ্ছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা, রোমানিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা বলছেন, এসব গাছ হারানো মানে হচ্ছে যেন হঠাৎ করে বিশাল কিছু হারানোর মতো।

গবেষক দলের অ্যাড্রিয়ান প্যাটরুট, যিনি রোমানিয়ার বাবেস-বোলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। তিনি বলেন, আমরা সন্দেহ করছি যে, আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে জলবায়ুর যেসব পরিবর্তন হয়েছে, এসব গাছের মরে যাওয়ার সঙ্গে হয়তো তার সম্পর্ক আছে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে হলে আরো গবেষণা করতে হবো।

২০০৫ সাল থেকে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের দেশগুলোর এসব প্রাচীন গাছগুলো পর্যবেক্ষণ করে আসছেন গবেষকরা। রেডিও কার্বন ব্যবহার করে তারা গাছগুলোর কাঠামো আর বয়স বের করেন।

অনেকটা হঠাৎ করেই তারা সনাক্ত করেন যে, ১৩টি প্রাচীন বাওব্যাবস গাছের মধ্যে আটটি আর ৬টি বৃহৎ গাছের ৫টি মারা গেছে অথবা তাদের পুরনো অংশটি নষ্ট হয়ে গেছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, অতিরিক্ত তাপমাত্রা আর খরার কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে এসব গাছের এভাবে মরে যাওয়াটা অত্যন্ত দুঃখজনক একটি ব্যাপার।

দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে, মোজাম্বিক, নামিবিয়া, বতসোয়ানা আর জাম্বিয়া জুড়ে এসব গাছ ছড়িয়ে রয়েছে। একেকটি গাছ ১ হাজার থেকে আড়াই হাজার বছর পুরনো।

ফলের আকৃতির কারণে স্থানীয়ভাবে এসব গাছকে ‘মৃত ইঁদুর’ গাছ বলেও ডাকা হয়। গাছগুলো লম্বা আর ডালপালা বিহীন হয়ে থাকে।

এসব গাছ তাদের শরীরের ভেতর অনেক পানি ধরে রাখে। ফলে রুক্ষ এলাকাতেও এসব গাছ নিজেদের টিকিয়ে রাখতে পারে।

বন্যপ্রাণীর জন্যও এসব গাছ সহায়ক হিসাবে কাজ করে। অনেক পাখির আশ্রয়স্থল এসব গাছ। সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকায় আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য কারণ হিসেবে এসব গাছ মরে যাওয়াকে দায়ী করা হচ্ছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2018 BangaliTimes.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com