বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৯, ১২:৩০ অপরাহ্ন

কিডনিতে পাথর হয় যেসব কারণে

কিডনিতে পাথর হয় যেসব কারণে

কিডনিতে পাথর হয় যেসব কারণে

আজ (১৪ মার্চ) বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব কিডনি দিবস’। ২০০৬ সাল পালিত হয়ে আসছে দিবসটি।

কিডনির নানা অসুখ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে তোলাই দিবসটি পালনের মুখ্য উদ্দেশ্য।

এক জরীপে দেখা গেছে, শরীরের সবচেয়ে বেশি কাজ করা অঙ্গের মধ্যে কিডনি বেশ গুরুত্বপূর্ণ হলেও এ বিষয়ে অনেকেই অসচেতন।

অথচ শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে কিডনি বা বৃক্কের যত্ন নেয়া অপরিহার্য।

শরীরের রক্ত পরিশোধনকারী অঙ্গ কিডনি। আর সেই কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেহের বজ্র নিষ্কাশন সুচারুরূপে হবে না। সে ক্ষেত্রে দেহের অন্যান্য অঙ্গও অসুস্থ হয়ে পড়বে।

দেশে কিডনিজনিত সমস্যাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত সমস্যাটি হলো কিডনিতে পাথর জমা। আর এ সমস্যায় আক্রান্তের সংখ্যাটা আমাদের দেশে দিন দিন বেড়েই চলছে!

কিডনি স্টোন বা বৃক্কে পাথর জমার প্রাথমিক লক্ষণগুলো নির্ভর করে পাথর কিডনির কোথায় এবং কীভাবে রয়েছে তার ওপর।

পাথরের আকার-আকৃতিও এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

যেসব কারণে ধারণা করা যেতে পারে কিডনিতে পাথর জমেছে কিনা:

১. প্রসাবের বর্ণ লাল হলে।

২. সারাক্ষণ বমি বমি ভাব বা বমি হলে।

৩. কোমরের পিছন দিকে তীব্র ব্যথা হলে। যদিও এই ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তবে ব্যথা বৃদ্ধি পেলে তা কিডনির অবস্থান থেকে তলপেটেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

আসুন জেনে নিই কিডনিতে পাথর জমার কারণ-

কিডনিতে পাথর জমা বা তৈরির প্রকৃত কারণ এখনও সঠিকভাবে চিহ্নিত হয়নি।

তবু কিছু কিছু বিষয়কে কিডনিতে পাথর তৈরির কারণ বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। কারণগুলো হলো-

১. দেহে পর্যাপ্ত পানির অভাব অর্থাৎ পানি কম খেলে।

২. বারবার কিডনিতে সংক্রমণ হওয়া। সংক্রমণ হলে তার জন্য যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা না করা।

৩. মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে স্নেহ জাতীয় খাবার গ্রহণ। যেমন- পনির, দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার।

৪. শরীরে ক্যালসিয়ামের আধিক্য দেখা দিলে।

আপনার কিডনি সুস্থ রাখতে

১. কিডনিতে পাথর জমার ঝুঁকি এড়াতে চাইলে অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পানি গ্রহণও কিডনিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

২. দীর্ঘক্ষণ প্রসাব চেপে রাখ একেবারেই অনূচিত। বেগ এলেই প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়াটাই উত্তম।

৩. তবে বারবার প্রসাবের জন্য শৌচাগারে যাওয়াও একটি বড় সমস্যা। এমন অভ্যাস হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত এবং কিডনিতে সংক্রমণ ঘটেছে কিনা তা পরীক্ষা করা কর্তব্য।

৪. খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ যুক্ত খাবার। আমলকী, লেবুর জুস প্রতিদিনই খাদ্য তালিকায় রাখলে কিডনি সমস্যা এড়ানো যাবে।

৫. অতিরিক্ত মাত্রায় দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া যাবে না।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2018 BangaliTimes.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com