রবিবার, ২১ Jul ২০১৯, ০৮:০০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
২৭ বার নুসরাতকে নিজ কক্ষে …..

২৭ বার নুসরাতকে নিজ কক্ষে …..

২৭ বার নুসরাতকে নিজ কক্ষে …..

ঘনিষ্ঠ বান্ধবী এবং স্বজনদের বিষয়টি জানিয়েছিল নুসরাত। মেয়ের মুখ থেকে ঘটনা শুনে প্রিন্সিপ্যালের কাছে কারণও জানতে চেয়েছিলেন তার মা।মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার কাছে একাধিকবার মানসিক ও পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিল নুসরাত জাহান রাফি। কিন্তু তখন সিরাজের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি সোনাগাজী থানার পুলিশ।

এরইমধ্যে গত ৬ এপ্রিল আলিম পরীক্ষায় অংশ নিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে গেলে ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে পালিয়ে যায় মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা।অভিযোগ, নুসরাতের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিলেন সিরাজ উদ দৌলা।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গঠিত এক তদন্ত কমিটি শুক্রবার মন্তব্য করে, স্থানীয় ও মাদ্রাসা প্রশাসন যথাসময়ে ব্যবস্থা নিলে মেয়েটিকে হয়ত এমন পরিণতি বরণ করতে হতো না।

জেলা জজ আল-মাহমুদ ফাইজুল কবিরের নেতৃত্বে ওই কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সহকারী পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম।জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কমিটি জানিয়েছে, অধক্ষ্য সিরাজ উদ দৌলা বিভিন্ন সময়ে ২৭ বার তার কক্ষে ডেকে নিয়েছিলেন নুসরাতকে।

ঘনিষ্ঠ বান্ধবী এবং স্বজনদের বিষয়টি জানিয়েছিল নুসরাত। মেয়ের মুখ থেকে ঘটনা শুনে প্রিন্সিপ্যালের কাছে কারণও জানতে চেয়েছিলেন তার মা।নুসরাতের এক বান্ধবী ঢাকা ট্রিবিউনকে জানায়, গত ২৭ মার্চ দুই বান্ধবীকে নিয়ে প্রিন্সিপ্যালের কক্ষে যায়। কিন্তু নুসরাতকে ভেতরে ডেকে নিলেও অন্য দু’জনকে কক্ষে ঢুকতে দেননি সিরাজ। কয়েক মিনিট পরে কাঁদতে কাঁদতে বাইরে বেরিয়ে আসে সে।

‘কী হয়েছে জানতে চাইলে কাঁদতে কাঁদতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে নুসরাত’, জানায় ওই বান্ধবী।আর যাতে কোনও মেয়েকে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে না হয় সেজন্য এ ঘটনার সঠিক তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচার চেয়েছে নুসরাতের বান্ধবীরা।তাদের বাবা-মায়েরাও এ ঘটনার দ্রুত বিচার চেয়েছেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2018 BangaliTimes.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com