মঙ্গলবার, ২৫ Jun ২০১৯, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নেই চিরচেনা যানজট, স্বস্তিতে যাত্রীরা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নেই চিরচেনা যানজট, স্বস্তিতে যাত্রীরা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নেই চিরচেনা যানজট, স্বস্তিতে যাত্রীরা

বহুল প্রতীক্ষিত দ্বিতীয় মেঘনা ও দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতী সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গনভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী সেতু দুটির উদ্বোধন করেন।

গুরুত্বপূর্ণ সেতু দুটির উদ্বোধন হওয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট একেবারে নেই বললেই চলে। প্রতিবছরের মতো এবার আর ঈদকে কেন্দ্র করে বাড়ি ফেরার পথে মানুষের ঘণ্টার পর ঘণ্টা দুর্ভোগ পোহাতে হবে না বলে আশা করছে চালক-যাত্রীরা।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রালয়ের জ্যেষ্ঠ গণসংযোগ কর্মকর্তা মো: আবু নাছের বলেন, দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতু গত মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রালয়ের একটি সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ের প্রায় সাত মাস আগে ঢাকা-চট্রগাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতি সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।

সেতুটি খুলে দেয়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ঘরমুখী লাখ লাখ মানুষ কোন ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করতে পারবে।

চার লেন বিশিষ্ট ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে যানবাহন এসে আগে পুরাতন মেঘনা-গোমতী সেতুতে এসে উঠতো এক লেনে। পুরাতন সেতুটি বেশী ঢালু ও যানবাহনের ধীরগতির কারনে প্রতিটি উৎসব পাবন ও সরকারি ছুটির দিনে হাজার হাজার যানবাহন তীব্র যানজটের আটকা পড়তো।

নিত্যদিন ভোগান্তির শিকার হত হাজার হাজার পরিবহন যাত্রী ও চালকরা। এবার ঈদের আগেই দ্বিতীয় মেঘনা ও মেঘনা-গোমতী সেতু খুলে দেয়ায় পরিবহন যাত্রীদের ভোগান্তি কমে যাবে। সেতু দুটি নির্মাণ করায় ও ঈদের আগেই উদ্ধোধন করায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সাধারন যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা।

মেঘনা গোমতী সেতুর প্রকল্প ব্যবস্থাপক শওকত আহমেদ মজুমদার জানান, ১৪‘শ ১০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১৭ দশমিক ৭৫ মিটার প্রস্থ দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতি সেতু ১৬টি পিয়ার ও দুই পাশে দুটি এপার্টমেন্টের উপর নির্মাণ করা হয়েছে।

এটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া পুরাতন মেঘনা-গোমতি সেতু মেরামতে ব্যয় হবে ৪‘শ কোটি টাকা।

দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতি সেতু উদ্বোধনের পর যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়ার পর এখন শুরু হবে পুরাতন সেতুর নির্মাণ কাজ।

মেঘনা গোমতী সেতুর আবাসিক প্রকৌশলী কবির আহমেদ জানান, ২০১৬ সালে জানুয়ারী মাসে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ২০২০ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু তার অনেক আগেই নতুন সেতু নির্মাণ ও পুরাতন বিদ্যমান সেতুর পূর্ণবাসন কাজ শেষ হবে।

জাপানের আধুনিক প্রযুক্তি ও স্টীল ন্যারো বক্সগার্ডারের ওপর এই সেতু নির্মিত হয়েছে। এ পদ্ধতিতে এটি বাংলাদেশে নির্মিত প্রথম সেতু। এর আগে ভিয়েতনাম ও জাপানে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। নতুন এবং পুরাতন দুটি সেতুরই ১‘শ বছরের বেশি আয়ুকাল হবে বলে জানিয়েছেন জাপানের প্রকৌশলীরা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2018 BangaliTimes.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com