শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন

মন্দির ভেবে একবছর ধরে শৌচাগারকেই প্রণাম করেন গ্রামবাসী!

মন্দির ভেবে একবছর ধরে শৌচাগারকেই প্রণাম করেন গ্রামবাসী!

মন্দির ভেবে একবছর ধরে শৌচাগারকেই প্রণাম করেন গ্রামবাসী!

গেরুয়া রঙের শৌচাগারকে মন্দির ভেবে দীর্ঘদিন ধরে প্রণাম করে আসছিলেন ভারতের উত্তর প্রদেশের একটি গ্রামের বাসিন্দারা। এমনকি মৌদহ নামের ওই গ্রামের বাসিন্দাদের কেউ কেউ নাকি সেই শৌচাগারের সামনে দাঁড়িয়ে প্রার্থনাও করতেন! এমনই আজব খবর জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, উত্তরপ্রদেশের মৌদহ গ্রামে গত একবছর ধরে যা হচ্ছে, তা সত্যিই ভাবনারও অতীত। রাস্তার ধারের একটি ঘর। যার বাইরের দেওয়ালের রং গেরুয়া। দীর্ঘদিন ধরে সেটির দরজায় তালা ঝুলছে।

গ্রামবাসীদের বিশ্বাস, রং যখন গেরুয়া, তখন দেওয়ালের ওপারে নিশ্চয়ই কোনও দেবতার বাস। তাই বন্ধ দরজার দিকে তাকিয়ে হাতজোড় করে প্রণাম করেন তাঁরা। কেউ কেউ দাঁড়িয়ে প্রার্থনাও করেন!

স্থানীয় বাসিন্দা রাকেশ চান্দেলের কথায়, “এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কাছেই অবস্থিত ওই ঘরটি। দেওয়ালে গেরুয়া রং তো বটেই, ঘরের উপরের অংশটিও দেখতে মন্দিরের মতোই। তাই বাসিন্দারা ধরেই নিয়েছেন, এটি মন্দির। ভিতরে কী আছে, জানার চেষ্টা করিনি আমরা। সম্প্রতি এক অফিসার এসে বলেন, এটি আসলে একটি শৌচাগার।” তিনি এও স্বীকার করে নেন, গেরুয়ার গেরোয় পড়েই যত গন্ডগোল।

বছর খানেক আগে স্বচ্ছ ভারত অভিযানের অংশ হিসেবে এই গ্রামে তৈরি হয়েছিল শৌচাগারটি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেটি বন্ধ। মৌদহ নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান রাম কিশোর বলেন, “নগর পালিকা পরিষদ এই শৌচাগারটি তৈরি করেছিল। কনট্রাক্টর এটি গেরুয়া রং করে দেয়।” আর সেখান থেকে যত ধন্দের সূত্রপাত।

তবে গ্রামবাসীরা যাতে আর এর দরজার সামনে এসে মাথা নত না করেন, সে কারণে শৌচাগারের রং বদলে গোলাপি করে দেওয়া হয়েছে। যদিও সেটি এখনও তালা বন্ধ। তবে এমন একটি নয়, একটি রিপোর্ট অনুযায়ী যোগীর রাজ্যে সাড়ে তিনশো শৌচাগারের মধ্যে একশোটির রংই গেরুয়া।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2018 BangaliTimes.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com