বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২০, ০৭:২৬ অপরাহ্ন

রেকর্ড ভেঙে শেষ হলো বইমেলা, ৮২ কোটি টাকার বই বিক্রি!

রেকর্ড ভেঙে শেষ হলো বইমেলা, ৮২ কোটি টাকার বই বিক্রি!

রেকর্ড ভেঙে শেষ হলো বইমেলা, ৮২ কোটি টাকার বই বিক্রি!

বই বিক্রিতে আবারও নয়া রেকর্ড গড়লো অমর একুশে গ্রন্থমেলা। ২০২০ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ৮২ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছে, জানিয়েছেন মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ড. জালাল আহমেদ। যা গতবারের তুলনায় দুই কোটি টাকা বেশি।

শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) অমর একুশে গ্রন্থমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান। এবারের মেলায় ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্টল মালিকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য এবং গতকালের সম্ভাব্য বিক্রি যুক্ত করে এ হিসাব দেওয়া হয়েছে।

বিগত আট বছরের বই বিক্রির হারে বাংলা একাডেমি জানায়, ২০১৯ সালে বিক্রির পরিমাণ ছিল ৮০ কোটি টাকা। ২০১৮ সালে ছিল ৭০ কোটি ৫০ লাখ টাকা, ২০১৭ সালে ৬৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা, ২০১৬ সালে ৪০ কোটি ৫০ লাখ টাকা, ২০১৫ সালে ২১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা, ২০১৪ সালে ছিল সাড়ে ১০ কোটি টাকা এবং ২০১৩ সালে ১৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা।

এবারের গ্রন্থমেলায় গুণীজন স্মৃতি পুরস্কার পেলেন যারা:

২০১৯ সালে প্রকাশিত বিষয় ও গুণমানসম্মত সর্বাধিক সংখ্যক বই প্রকাশের জন্য কথাপ্রকাশকে চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার, ২০১৯ সালে প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে শৈল্পিক ও গুণমান বিচারে সেরা গ্রন্থ বিভাগে আবুল হাসনাত রচিত ‘প্রত্যয়ী স্মৃতি ও অন্যান্য’ গ্রন্থের জন্য জার্নিম্যান বুকস, মঈনুস সুলতান রচিত ‘জোহানেসবার্গের জার্নাল’ গ্রন্থের জন্য প্রথমা প্রকাশনীকে এবং রফিকুন নবী রচিত ‘স্মৃতির পথরেখা’ গ্রন্থের জন্য বেঙ্গল পাবলিকেশন্সকে মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

২০১৯ সালে প্রকাশিত শিশুতোষ বইগুলোর মধ্য থেকে গুণ ও মান বিচারে সর্বাধিক গ্রন্থ প্রকাশের জন্য পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লিমিটেডকে রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার এবং ২০২০ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্য থেকে দৃষ্টিনন্দন সাজসজ্জার জন্য সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অভিযান (এক ইউনিট), কুঁড়েঘর প্রকাশনী লিমিটেড (২-৪ ইউনিট) এবং বাংলা প্রকাশকে (প্যাভিলিয়ন) শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব পুরস্কার পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে তুলে দেয়া হয়।

মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ, বাংলা একেডেমির মহাপরিচালক হাবিবুল্লাহ সিরাজী। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *