মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন

এসএসসির ফল প্রস্তুত, যেকোন সময় প্রকাশ !

এসএসসির ফল প্রস্তুত, যেকোন সময় প্রকাশ !

এসএসসির ফল প্রস্তুত, যেকোন সময় প্রকাশ !

এসএসসির ফল প্রস্তুত, যেকোন সময় প্রকাশ করোনার কারণে ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের উল্লাস এবার দেখা যাবে না।

নিয়ম অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করে মন্ত্রণালয়।

সে হিসেবে চলতি মাসের শুরু দিকে এবারের মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করার কথা ছিল।

তবে করোনাভাইরাসের কারণে গত ৮ বছরের মধ্যে এই প্রথম নির্ধারিত সময় ৬০ দিনের

আগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য শিক্ষা

মন্ত্রণালয় বরাবর ফলের তালিকা পাঠানো হয়েছে। সেটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাবে

মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রী সময় দিলে সেদিনই ফল প্রকাশ করা হবে। তবে এবার সংবাদ

সম্মেলন করে ফল প্রকাশ করা হবেনা। স্ব স্ব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হবে।

পাশাপাশি মুঠোফোনের ক্ষুদেবার্তার মাধ্যমে এবরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পাবে ফলপ্রত্যাশীরা।

এদিকে, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানাতে প্রি-রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু করেছেন রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক।

গ্রাহকদেরকে ইতোমধ্যে ক্ষুদেবার্তার মাধ্যমে সে তথ্য জানাতে শুরু করেছে

অপারেটরটি। তাতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল এর প্রি-

রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ফলাফল প্রকাশের দিনে স্বাস্থ্য বিধি মেনে ঘরে

থেকে সরাসরি মোবাইলে ফলাফল পেতে টেলিটক নাম্বার থেকে মেসেজ করতে হবে।

সেজন্য টাইপ করতে হবে এই নিয়মে: SSC<>Board Name<>Roll<>Year।

আর এটি পাঠিয়ে দিতে হবে 16222 নাম্বারে। একজন যতবার খুশি ততবার পাঠাতে

পারলেও সেজন্য চার্জ প্রযোজ্য হবে। ফল প্রকাশের বিষয়ে আন্ত:শিক্ষা বোর্ড সভাপতি

ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রস্তুত রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে যেকোন সময় ফল প্রকাশ করা হবে।

চলতি মাসের ৭ মে এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের কথা ছিল। কিন্তু করোনার

কারণে তা পিছিয়ে যায়। এর আগে ৩ ফেব্রুয়ারি এ পরীক্ষা শুরু হয়ে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি।

আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হয় ৬ মার্চ

আরো পড়ুন-শ্রীলঙ্কায় মুসলিমবিরোধী সহিংসতার ভূমিকায় ক্ষমা চাইল ফেসবুক

২০১৮ সালে মুসলিম–বিরোধী সহিংসতায় কেঁপে উঠেছিল দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা।

সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে দুবছর পর ক্ষমা চাইল ফেসবুক। ওই ঘটনায় মানবাধিকার

প্রভাবিত হয়েছিল বলে উল্লেখ করে ক্ষমাপ্রার্থনা বার্তায় তারা লিখেছে, ‘‌আমরা বুঝেছি এবং ক্ষমা চাইছি।’‌

শ্রীলঙ্কার মুসলিম অধ্যুষিত এলাকার ঘরবাড়ি, দোকানপাট সহ প্রচুর সম্পত্তি নষ্ট

হয়েছিল। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল বহু মসজিদ। প্রাণহানি হয়েছিল কয়েকজনের।

সেসময় ফেসবুকে প্রচুর উস্কানিমূলক ভাষণ এবং ভুয়া খবর, গু-জ-ব ছড়িয়েছিল, যাতে হিংসার আগুন দাবানলের আকার নেয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শ্রীলঙ্কার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মৈত্রিপলা সিরিসেনা দেশে জরুরি

অবস্থা জারি করেন এবং ফেসবুককে ষ-ড়য-ন্ত্রকারী বলে চিহ্নিত দেশে নিষি-দ্ধ ঘোষণা করেন।

‘‌আর্টিক্‌ল ওয়ান’‌ নামে একটি মানবাধিকার উপদেষ্টা সংগঠনকে দুবছরের আগের ওই

ঘটনায় ফেসবুকের বি-রু-দ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছিল ফেসবুক কোম্পানি।

তদন্ত রিপোর্টে তারা জানিয়েছে, ফেসবুকে ছড়ানো গুজবের জন্য সহিংসতা ছড়িয়েছিল

আরও বেশি। শ্রীলঙ্কাবাসী ফেসবুকের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও কয়েকজনের

মতে, দিগানা শহরে যে আ-গু-ন জ্ব-লেছিল, সেখানে ফেসবুক পরোক্ষ নজরদারের

ভূমিকা নিলে সহিংসতা এতো মা-রা-ত্মক আকার ধারণ করত না। আজকাল।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *