বুধবার, ২৭ মে ২০২০, ০৯:১২ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ: ২৪ ঘণ্টায় ১৫৪১ জন করোনা রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ২২    
লেজার টেস্টে তাৎক্ষণিক শনাক্ত করা যাবে করোনা

লেজার টেস্টে তাৎক্ষণিক শনাক্ত করা যাবে করোনা

লেজার টেস্টে তাৎক্ষণিক শনাক্ত করা যাবে করোনা

বৈশ্বিক স্থবিরতা সৃষ্টি করেছে করোনার প্রকোপ। করোনা শনাক্ত, ওষুধ ও ভ্যাকসিন নিয়ে চলছে নিরন্তর গবেষণা। এবার লেজার সিস্টেমের মাধ্যমে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে নিখুঁতভাবে করোনার টেস্ট করার পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একদল কোয়ান্টাম পদার্থবিদ।

পদার্থবিদদের একটি দল দাবি করছে, এই টেস্টের মাধ্যমে ৮৫ থেকে ৯০ ভাগ সঠিক ফলাফল পাওয়া সম্ভব হবে। দুবাইয়ের কোয়ান্টলেস ইমেজিং ল্যাব বলছে, ভ্যাকসিন যতদিন বাজারে না আসছে ততদিন এই প্রযুক্তি ভাইরাস শনাক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

পরীক্ষার পদ্ধতি:

লেজার মেশিনে এক ফোঁটা রক্তের সাহায্যে পরীক্ষা করা হবে। কোয়ান্টলেস ইমাজিং ল্যাব অনেক গবেষণার পর এই সিস্টেম তৈরি করেছে।

কীভাবে কাজ করে:

ডায়াবেটিস যেভাবে পরীক্ষা করা হয় সেভাবে হাত থেকে সামান্য রক্ত নিয়ে পরীক্ষা করা হবে। একটি স্লাইডের উপর নিয়ে তারপর মেশিনে পাঠানো হবে। তারপরে রক্তের নমুনায় একটি লেজার জ্বলজ্বল করে রাখা হয়, যা এমন একটি প্যাটার্ন প্রবর্তন করে তা ক্যামেরায় ধরা পড়ে। এই প্যাটার্নটি অ্যালগরিদম দ্বারা বিশ্লেষণ করা হয়েছে যা ব্যক্তি সুস্থ বা অসুস্থ কিনা তা নির্ধারণ করতে অন্যান্য নমুনার সাথে তুলনা করে।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, একটি অস্বাস্থ্যকর রক্তকণিকা এবং একটি স্বাস্থ্যকর রক্তকণিকার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন রয়েছে। এর মাধ্যমে সংক্রমিত ব্যক্তিকে খুব সহজে আলাদা করা যাবে। স্বাস্থ্যকর ব্যক্তির রক্তকণিকা লেজার আলোর নিচে পুরো গোলাকার দেখা যায়, তবে সেই রিংটি অস্বাস্থ্যকর কোষগুলিতে নষ্ট হয়ে যায় এবং এগুলি ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেখায়। যদি রক্তের কোষে একটি লেজার জ্বলজ্বল করে এবং যদি কোনও সংক্রমণ হয় তবে রক্তের কোষটি বিকৃত হয়ে যায় বা আকার, ঘনত্ব, অঙ্গে পরিবর্তিত হয়। সব ভাইরাসের নিজস্ব একটা আকার আছে। অ্যালগরিদম রক্তে যা দেখায় তা অনুসন্ধান করে।

কতটা সঠিক?

এই পদ্ধতিতে শতকরা ৮৫ থেকে ৯০ ভাগ ফলাফল নির্ভুল পাওয়া যায়। শতকরা ৪ ভাগের ফলাফল ভুল আসতে পারে। আর এই ৪ শতাংশের বিষয়টি উন্নতির চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে গবেষকরা বলছেন, প্রচলিত পিসিআর টেস্টের চেয়ে এটি এই অর্থে ভালো যে এখানে ভুল ‘নেগেটিভ’ আসে না। এখন পর্যন্ত ট্রায়াল হিসেবে ৬ হাজার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এই পদ্ধতিটি অনুমোদন পাওয়ার অপেক্ষায়।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *