সোমবার, ০৬ Jul ২০২০, ০৫:৪০ অপরাহ্ন

স্বাস্থ্য খাতের দুর্দশা সরকারের ধাপ্পাবাজিরই প্রমাণ: রিজভী

স্বাস্থ্য খাতের দুর্দশা সরকারের ধাপ্পাবাজিরই প্রমাণ: রিজভী

স্বাস্থ্য খাতের দুর্দশা সরকারের ধাপ্পাবাজিরই প্রমাণ: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের বর্তমান দুর্দশায় প্রমাণিত হয়েছে যে, এ সরকার জনগণের সঙ্গে বছরের পর বছর ধরে ধাপ্পাবাজি করেছে।

শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ কোভিড-১৯ আক্রান্ত হচ্ছেনন। মারা যাচ্ছেন বহু মানুষ। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেহাল অবস্থায় জনমনে আতঙ্ক ও উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থা একেবারেই ভেঙে পড়েছে। হাসপাতালগুলোতে ভেন্টিলেটর, নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (আইসিইউ) ও করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা সারাবিশ্বের মধ্যে সর্বনিম্ন।

করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে ১৫ দিন পর্যন্ত সময় লাগছে। ল্যাবে নমুনার স্তুপ জমা হয়ে আছে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের বর্তমান দুর্দশায় প্রমাণিত হয়েছে যে এ সরকার জনগণের সঙ্গে বছরের পর বছর ধরে ধাপ্পাবাজি করেছে। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৪৭টি জেলার হাসপাতালেই নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) নেই। করোনাভাইরাসের এ মহামারির সময়ে মানুষের জীবনের বিনিময়ে স্বাস্থ্য খাতের বিপন্ন ও ভঙ্গুর ছবি প্রকাশ হয়ে পড়েছে, বলেন রিজভী।

সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে এমন অভিযোগ কের বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, দেশের গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে গত এক দশক ধরে ক্ষমতাসীন সরকার জনগণকে কথিত উন্নয়নের গল্প শুনিয়েছে। অথচ নির্মম বাস্তবতা হলো উন্নয়নের স্লোগানের আড়ালে গত এক দশকে দেশে দুর্নীতির-অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া আর কিছুই হয়নি। এ করোনার প্রকোপের মধ্যেও সরকার দুর্নীতির সংবাদ আড়াল করার জন্য প্রায় প্রতিদিনই গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের ডেকে নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোকেরা ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে ও হয়রারি করছে। বিরুদ্ধ মত ও দলের গণমাধ্যম কর্মীদের ওপর তাদের প্রণীত সব কালাকানুন নির্বিচারে প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন রিজভী।

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *