সোমবার, ০৬ Jul ২০২০, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন

কেনাকা’টা করতে গিয়ে ধ’র্ষ’ণের শি’কার অভি’নেত্রী তি’শা

কেনাকা’টা করতে গিয়ে ধ’র্ষ’ণের শি’কার অভি’নেত্রী তি’শা

কেনাকা’টা করতে গিয়ে ধ’র্ষ’ণের শি’কার অভি’নেত্রী তি’শা

নুসরাত ইম’রোজ তিশার বিয়ে ঠিক হয় বিদেশ ফেরত নজরুল রাজের স’ঙ্গে। তাদের বাগদান সম্পন্ন হয়। হবু বরকে নিয়ে

বিয়ের কোনাকা’টা করতে বের হন তিনি।এ সময় ছি’নতাইয়ের কবলে পরেন তিশা। সেসময় ধ’র্ষণের শি’কার হন।এর পর

ভে’ঙে যায় তাদের বিয়ে। তবে এটি বাস্তবের কোনো ঘ’টনা নয়। ‘মে’য়ে’ শিরোনামের নাট’কে এমন দৃশ্য দেখা যাবে। প্রীতি দত্তের পরিচালনায় এ নাট’কটি সম্প্রতি রাজধানী উওরারবিভিন্ন মনোরম লোকেশনে দৃশ্যধারণ করা হয়।নুশরাত ইম’রোজ

তিশার বিপরীতে দেখা যাবে মডেল-অ’ভিনেতা নজরুল রাজকে।নাট’কটি প্রস’ঙ্গে নজরুল রাজ বলেন, ‘মে’য়ে’ নাট’কের

গল্পটি দেখে দর্শকদের ভালো লাগবে। অ’ভিনেত্রী তিশার স’ঙ্গে কাজ করে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি। তিনি কাজের ক্ষেত্রে

খুব হেল্পফুল। ভালো একটি কাজ হয়েছে।নাট’কটি খুব শিগগির মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত হবে।নজরুল রাজ বেশ কিছু

কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। নাট’ক-টেলিফিল্ম ছাড়াও চলচ্চিত্রেও তাকে দেখা গিয়েছে।

 ১ মিনিট লাগবে গল্পটি পড়তে ,দেখু’ন মানুষ ভালোবাসার জন্য কি কি করতে পারে

দয় বিদারক এক ভালোবাসার গল্প ,দেখু’ন মানুষ ভালোবাসার জন্য কি কি করতে পারে,১টি ছে’লে বিয়ে করারজন্য মেয়ে দেখতে গেল।মেয়েটা তার ভাল লাগলো। তারপর সবাই সবার সবকিছু খোজ খবর নিলো। তার ১৫ দিন পর ছে’লেটার পক্ষ থেকে মানুষ জন গিয়ে মেয়েটার হাতে আংটি পড়িয়ে দেয় আর বিয়ের কথা পাকা করে আসে।তারপরে তাদের মাঝে ফোনালাপ চলতে থাকে।

তার ৩ দিন পর ফোনের আলাপ আলোচন :-

ছে’লে:- আচ্ছা তুমি কি আরও পড়তে চাও ???মেয়ে :- হ্যা… কারণ আমা’র আশা ছিল ডাঃ হবো।ছে’লে:- ডাঃ হলে তুমি খুশি হবে ???

মেয়ে :- হ্যা.. এটাই আমা’র সবচেয়ে বড় চাওয়া আল্লাহর কাছে। আর চাইলে কি সব পারবো !!!ছে’লে:- কেনো ???মেয়ে :- কারণ.. ১। আমা’র বিয়ে ঠিক হয়েগেছে..

২। আমা’র বাবার এত টাকা নাই।

ছে’লে:- আমা’র তো আছে। তোমাকে আর কিছু দিতে পারি আর না পারি।তবে তোমা’র আশাটা আমি পুরন করব !!! তুমি কি পড়তে রাজি ???মেয়ে :- হ্যা. কিন্তু বিয়ের আর মাএ ৯ দিন বাকী’..সেটার কি হবে ???ছে’লে:- এটা আমা’র উপর ছেড়ে দাও !!!

মেয়ে :- OK. ছে’লে তার ফেমিলির সবাইকে বুঝিয়ে বলে, আর সবাই রাজি হল। মেয়ের লেখা পড়ার জন্য সব খরচ ছে’লেটা দিচ্ছে এবং দেখা শুনা ঠিকমত ছিল কিন্তু কিছু দিন পর ।মেয়ে :- আমা’র ১টা কথা রাখবে ???

ছে’লে:- হ্যা. বল আমি কি করতে পারি ???মেয়ে :- কিছু মনে করনা। আমা’র সাথে আর দেখা করিওনা !!!

ছে’লে:- কিন্তু কেনো ???মেয়ে :- তোমাকে দেখলে নিজেকে ধরে রাখতে পারিনা। ওদিকে আমা’র পরীক্ষার ২ বছর বাকী’। যদি,,ফেল করি সমাজে মুখ দেখাতে পারবো না। আর তোমা’র টাকা ও ক’ষ্ট বিথা যাবে।ছে’লে:- OK. কিন্তু ফোনে কথা বলবা না ???মেয়ে :- হ্যা.

ছে’লে:- ok. ২ বছর পর মেয়েটা পরীক্ষা দিল এবং পাশ করল।সেই খুশিতে মেয়ের বাড়ীতে মেহমান ভরপুর ।কিন্তু ছে’লেটাকে বলল না ।কারণ এখন ঐ ছে’লেকে স্বামী হিসেবে সবার সামনে পরিচয় করাতে পারবে না বলে ।তার ১৫ দিন পর মেয়েটা একটি চেম্বার নিয়ে বসে। তখন জানতে পেরে ছে’লেটা তাকে ফোন করলে,মেয়েটা ফোন কে’টে দেয় এবং বন্ধ করে দেয়। ছে’লেটা তার বাড়ীতে যায় । আর মেয়ে তাকে বলল,,,,,,আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং মনে ক’ষ্ট নিওনা,, আমি তোমাকে বিয়েকরতে পারবো না !!!

ছে’লে:- কেন:???মেয়ে :- কারণ তুমি আমা’র যোগ্য না এবং লেখা পড়াও জানো না ।ছে’লে:- আমাদের ফেমিলি থেকে যে সব ঠিক করা ???

মেয়ে :- ওটা আগে ছিল,,আমি এখন তা মানতে পারবোনা ।ছে’লে:- দু চোখ ভরা কা’ন্না নিয়ে বলল । OK. তুমি ভাল থেকো,,,বলে চলে আসলো। কিছু দিন পরে ছে’লেটা অ’সুস্থ হয়ে পড়ে । আর ঐ দিকে মেয়েটা এক হাসপাতা’লের বড় ডাঃ হয়।ছে’লেটার অবস্থা খা’রাপ দেখে ঐ হাসপাতা’লে নিয়ে যায়।

ঐ খানে এক ডাঃ তাকে দেখে চিনে ফেলে,আর ওর ফেমিলির সবাইকে বকা জকা করল। কারণ অনেক লেট করে ফেলেছে। তখন মেয়েটা ঐ ডাঃ কে বলল আপনি ওদের বকছেন কেন ???তখন ডাঃ বলল এই মানুষটা আজ থেকে প্রায় ৫ বছর আগে ওর বউয়ের ডাক্তারী পড়তে টাকা লাগবে বলে ১টি কিডনী বিক্রি করল।

আমি নিষেধ করলে সে বলল আমা’র বউ ডাঃ হলে আমাকে সে ভালো করে দিবে,,,,,,,তা শুনে মেয়েটার চোখ থেকে জল নেমে এল !!! কি লাভ এখন কা’ন্না করে,,আসলে সব মে’য়েরাই স্বার্থপর,,,তাদের স্বার্থের জন্য তারা সব করতে পারে…।

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *