সোমবার, ০৬ Jul ২০২০, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন

চীনা শিবির গুড়িয়ে দিতে ক্ষেপণাস্ত্রসহ ৪৫ হাজার সেনা পাঠাল ভারত

চীনা শিবির গুড়িয়ে দিতে ক্ষেপণাস্ত্রসহ ৪৫ হাজার সেনা পাঠাল ভারত

চীনা শিবির গুড়িয়ে দিতে ক্ষেপণাস্ত্রসহ ৪৫ হাজার সেনা পাঠাল ভারত

গালওয়ান উপত্যাকায় ভারতীয় ভূখণ্ড দখণ্ড দখল করে সেখানে ১৬টি সেনা স্থাপনা বানিয়েছে চীনের সেনাবাহিনী। প্রায় ৯ কিলোমিটার এলাকা দখল করে এসব স্থাপনা বানানো হয়েছে। পরিস্থিতিন নিয়ন্ত্রণে আনতে ওই এলাকা ভারী অস্ত্রসহ ৪৫ হাজার সেনা পাঠিয়েছে ভারত।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি রোববার (২৮ জুন) এ খবর প্রকাশ করেছে। খবরে স্যাটেলাইটে ধরা পড়া চীনা স্থাপনার ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে।

আনন্দবাজার বলতে, গেল ২২ থেকে ২৬ জুনের মধ্যে তোলা ছবি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গালওয়ানে ১৫ জুন সংঘর্ষের স্থানে অবকাঠামো তৈরি করেছে চীন। বলা হচ্ছে, ১৪ নম্বর টহল পয়েন্টটি ভারতের নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। কিন্তু সেই স্থানে একের একের পর অবকাঠামো তৈরি করে সেনা বাড়াচ্ছে বেইজিং।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গোয়েন্দাদের দাবি, গালোয়ান নদী বরাবর প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে প্রায় ১৩৭ মিটার অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছে চীন। বলা হচ্ছে ওই এলকায় দীর্ঘদিন থেকে টহল দিচ্ছে ভারতীয় বাহিনী।

 

খবরে বলা হয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর কালো ত্রিপলের ছবি সম্প্রতি ধরা পড়েছে উপগ্রহ চিত্রে। সেই ত্রিপল চীনা বাহিনীর; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এই সম্ভাবনায় জোর দেয়া হয়েছে। এনডিটিভির হাতেও এসেছে সেই চিত্র।

বলা হচ্ছে, সেই সেক্টরে ৯ কিমির মধ্যে প্রায় ১৬টি শিবির চিহ্নিত করেছে স্যাটেলাইট ছবি। সামরিক স্তরের আলোচনায় চীন বাহিনী সরানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও, সেটা খাতায়-কলমে। শুধু তাই নয় প্রকৃত সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ এলাকায় ব্যাপক সামরিক সম্ভার বাড়াচ্ছে বেজিং।

এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ভারত যেমন বন্ধুত্ব জানে, তেমনই চোখে চোখ রেখে কথা বলতেও জানে। চীনের মোকাবিলায় ভারত যে প্রয়োজনে কড়া মনোভাব নিতে দ্বিধা করবে না, মাসের শেষ রোববার (২৮ জুন) ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে ভারতবাসীকে সেই বার্তাই দিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে লালফৌজের সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত করেছে চীন

নিয়ম মেনেই মাসের শেষ রোববার বেলা ১১টায় ‘আবির্ভাব’ হল তার। তবে মোদীর এদিনের ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে দেশবাসীর উদ্দেশে বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি নাম না-করে নিশানা করলেন চীনকে। করোনা, আমপান, পঙ্গপাল হানার পাশাপাশি এদিন প্রধানমন্ত্রীর মুখে এসেছে লাদাখে হানাদারির প্রসঙ্গও।

তিনি বলেন, লাদাখে ভারতীয় ভূখণ্ডের দিকে যারা নজর দিয়েছিল, তাদের সমুচিত জবাব দেওয়া হয়েছে।’

পাশাপাশি এসেছে, নাম না-করে চীনা পণ্য বয়কটের প্রসঙ্গও, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রাপ্ত আসামের এক নাগরিকের মন্তব্যের প্রসঙ্গ এনে নরেন্দ্র মোদী বলেন, পূর্ব লাদাখের ঘটনার পরে উনি শুধুমাত্র দেশীয় পণ্য কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

 

এছাড়া গালওয়ান উপত্যকায় চীনা সেনাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনার প্রতিরোধের প্রসঙ্গ তুলে মোদী এ দিন বলেন, আমাদের বীর সেনারা দেখিয়ে দিয়েছেন তাঁরা কোনও অবস্থাতেই ভারতমাতার গৌরবে আঁচ আসতে দেবেন না।

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *