রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২০, ০৭:৫০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
সিনহার মৃত্যুর দিন এসআই লিয়াকতের সঙ্গে কথা হয়েছিল কোবরার রাজস্থানে ‘জয় শ্রী রাম’ ও ‘মোদী জিন্দাবাদ’ না বলায় এক ব্যক্তিকে বেধড়ক মারধর সন্তানকে স্তন্যপান করাতে যাওয়ার সময় ইসরায়েলি সেনার গুলিতে নিহত মা! এবার নিরব-ইমনের সঙ্গে মিথিলার এক ঘণ্টা করোনা তাড়াতে পাঁপড় খেতে বলা সেই ভারতীয় মন্ত্রী করোনা আক্রান্ত রাশিয়ার ঘোষণা, করোনার প্রথম ভ্যাকসিন আসছে ১২ আগস্ট হাজিদের পাথর নিক্ষেপে পদদলিত হয়ে মৃত্যু থামিয়ে ছিলেন এই বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার পানির চেয়ে কম দামে করোনার ভ্যাকসিন মিলবে ভারতে! মোবাইল টাওয়ার থেকে ফ্রি ওয়াইফাই আসছে বাংলাদেশের ৮ রুট দিয়ে পণ্য পরিবহন করতে চায় ভারত
এক ষাঁড়ের দাম ৫০ লাখ টাকা!

এক ষাঁড়ের দাম ৫০ লাখ টাকা!

এক ষাঁড়ের দাম ৫০ লাখ টাকা!

কোরবানি ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন জাতের গরু নিয়ে বাজারে হাজির হয়েছেন খামারিরা। এসব গরুকে আবার ডাকা হচ্ছে বাহারি সব নামে। কোথাও কোনো গরুর নাম ডোনাল্ড ট্রাম্প পর্যন্ত রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে মহামারি করোনার কারণে বেচাকেনা স্তিমিত হলেও যাদের গরু বাজারে তোলার কথা ছিল তারা কিন্তু ঠিকই তুলেছেন। প্রাণপ্রিয় পশুটিকে গ্রহণযোগ্য দামে বিক্রি করতে পারলেই হাসি ফুটবে খামারিদের মুখে।

গরু নিয়ে যখন চারদিকে এত মাতামাতি তখন প্রায় অর্ধকোটি টাকা মূল্যের একটি ষাঁড়ের দেখা পাওয়া গেল ফেনীতে। এই গরুটিই এবারের ঈদের সবচেয়ে বেশি দাম হাঁকানো গরু। গরুটির মালিক এবারের ঈদে গরুটি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ফেনীর সোনাগাজীর মতিগঞ্জের খামারি রিয়াজ উদ্দিনের এ গরুটি দৈর্ঘ্য ১০ ফুট এবং উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি। বিশালাকার গরুটির জাতের নাম বঙ্গ ফ্রিজিয়ান। এ গরুটির দাম হাঁকানো হয়েছে ৫০ লাখ টাকা।

২০১২ সালে ৩৫ হাজার টাকায় একটি গাভী কিনে পালন শুরু করেন রিয়াজ উদ্দিন। বঙ্গ ফ্রিজিয়ান জাতের একটি ষাঁড়ের সিমেন ব্যবহার করে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে ২০১৬ সালে এ ষাঁড়ের জন্ম দেয় গাভীটি। জন্মের পর বাছুরটিকে দেশীয় পদ্ধতিতে মোটাতাজা করার প্রক্রিয়া শুরু করেন। প্রয়োজন মতো খাবার ও পরিচর্যায় গরুর আকৃতি বাড়তে থাকে। ডিজিটাল মেশিনে মেপে গরুটির ওজন বেড়ে ১ হাজার ৪৫০ কেজি পাওয়া যায়।

রিয়াজ বলেন, ষাঁড়টির খাদ্যতালিকায় রয়েছে কাঁচা ঘাস, খড়, গমের ভুসি, চালের কুঁড়া, ভুট্টা, ডালের গুঁড়া, তৈলবীজের খৈল, ছোলা ও খুদের ভাত। সব মিলে দিনে ৫০-৬০ কেজি খাবার খায় গরুটি।

রিয়াজ চৌধুরী বলেন, এ ধরনের গরু লালন-পালন খুবই কষ্টকর। পরিবারের একজন সদস্যের মতো করে তিনি গরুটি পালন করেছেন। পরিবারের সবাই মিলে যত্ন নিয়ে বড় করেছেন। অনেক শ্রম ও অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। ৫০ লাখ টাকায় গরুটি বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন। তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গরুটি তিনি কোনো হাটে না নিয়ে বাড়িতে খামারে রেখে অনলাইনে ছবি ও বিবরণ দিয়ে বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্রেতারা গরুটির দাম বলছেন অনেক কম।

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *