শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২০, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
আরেক দফা বাড়ল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি,কলেজশিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু ৪ অক্টোবর কাশ্মীরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে ভারতীয় সেনাসদস্য নিহত এরদোয়ানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আজারবাইজানের ফার্স্ট লেডির বাবরি মসজিদ মামলা: ভারতের আদালতের আরেকটি লজ্জাজনক রায়! ‘ভারতে এতটা কোণঠাসা কখনোই ছিল না মুসলমানরা’ ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে তিন ভারতীয় সেনা নিহত মি’ন্নির ফাঁ’সি কা’র্য’কর হলে আমি মিলাদ দেব: নয়ন ব’ন্ডের মা কা’রা’গার থেকে মুঠোফোনে বাবা-মায়ের সঙ্গে মি’ন্নির কান্নাকাটি সিনেমার গল্পকেও হার মানায় রিয়াজ ও তার স্ত্রীর প্রেম-বিয়ের কাহিনী ‘ইনশাল্লাহ’ বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী বাইডেন, টুইটারে ঝড়
ডায়েট ছাড়াই যেভাবে ৪৩ কেজি ওজন কমিয়েছেন রেণুকা

ডায়েট ছাড়াই যেভাবে ৪৩ কেজি ওজন কমিয়েছেন রেণুকা

ডায়েট ছাড়াই যেভাবে ৪৩ কেজি ওজন কমিয়েছেন রেণুকা

বেশি ওজনের কারণে অনেক কথা শুনতে হয়েছে ভারতের নাগরিক ৩৬ বছর বয়সি রেণুকা পামনানি ভাসওয়ানিকে। শেষ পর্যন্ত নিজের কাছেই তার ওজন বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তারপর তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে করেই হোক ওজন কমাতে হবে।

হয় এখন নয়তো কখনোই নয়- এমন দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিয়ে শুধুমাত্র জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন এনে সাড়ে ৪৩ কেজি ওজন কমিয়েছেন তিনি। আড়াই বছরের চেষ্টায় এই সাফল্য মিলেছে রেণুকার।

ওজন বাড়তে বাড়তে একসময় ১২৭ কেজিতে পৌঁছায়। উচ্চতায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি এবং পেশায় ব্যাংকার রেণুকার বাড়ি ভারতের মুম্বাইয়ে। এখন তার ওজন সাড়ে ৮৩ কেজি। ওজন কমানোর যাত্রা সম্পর্কে টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানিয়েছেন রেণুকা। ঢাকা টাইমস পাঠকদের জন্য রেণুকার সেই গল্প তুলে ধরা হলো-

টার্নিং পয়েন্ট: এমন একটি সময় ছিলো যখন আমার ওজন ছিল ১২৭ কেজি এবং ১৩০ কেজির দিকে ছুটছিল। এ নিয়ে আমি হতাশা বোধ করতে শুরু করেছিলাম।

কারণ আমি কখনোই ভাবিনি যে আমার ওজন তিন সংখ্যায় পৌঁছাবে। আমি দিন দিন অসম্পূর্ণ হয়ে উঠছিলাম। পরে আমার ওজন কমানোর সিদ্ধান্ত নিই। আমাকে এই কাজে সহযোগীতা করেছেন আমার ডায়েটিশিয়ান খায়াতি রুপনী এবং ফিটনেস কোচ রাকেশ পাওয়ার।

খাবার:

সকালের নাস্তা: টোস্টের সঙ্গে ডিমের সাদা অংশ বা ওটস। এছাড়া ইডলি ও ধোসাও খেয়েছি।

দুপুরের খাবার: এক বাটি সালাদ, ডাল ও চিকেনের সঙ্গে একটি রুটি বা ভাত। এছাড়া কম তেলে রান্না সবজি।

রাতের খাবার: গ্রিলড চিকেন বা সবজি পাস্তা।

ব্যায়ামের আগের খাবার: বুলেট কফি

ব্যায়ামের পরের খাবার: ডাইমাটিজ আইএসও ১০০ হাইড্রোলিজড প্রোটিন পাওডার।

ব্যায়াম: ব্যায়ামের ক্ষেত্রে আমাকে সর্বোচ্চ সহযোগীতা করেছেন আমার ফিটনেস কোচ রাকেশ পাওয়ার। তিনি আমার ব্যায়াম রুটিন ঠিক করেছেন এবং সেই অনুযায়ী ব্যায়াম করিয়েছেন। আমার ব্যায়ামের মধ্যে ছিল কার্ডিও, শক্তি প্রশিক্ষণসহ কার্যকরী প্রশিক্ষণ।

ডায়েট শব্দটি নিজেই একটি নেতিবাচক শব্দ কারণ এটি আপনাকে কেবল অনুভব করে যে আপনি নিজেকে কিছু জিনিস থেকে বঞ্চিত করছেন। সুতরাং, আমি কেবল জীবনধারণের পরিবর্তনগুলোতে ফোকাস করেছি এবং ডায়েট শব্দটি বাদ দিয়েছি।

ওজন কমানোর যাত্রার সময় আপনি যে ছোট ছোট পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তা আপনাকে একটি তাত্পর্যপূর্ণ পার্থক্য তৈরি করতে সহায়তা করে। রাতারাতি সত্যিই কিছুই ঘটে না বলে নির্দিষ্ট পরিমাণ পরিবর্তন লক্ষ্য করতে যে পরিমাণ সময়ের দরকার হয় তা আমরা প্রায়শই অবমূল্যায়ন করি। প্রত্যেকেরই একটি নির্দিষ্ট ধরণের শরীর থাকে এবং এটি গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করবেন না।

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *