বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
রা’য় কা’র্য’কর হলে মিন্নিই হবে দেশের প্রথম ফাঁ-সি হওয়া নারী ‘এদের দৃ’ষ্টা’ন্ত’মূলক শা’স্তি না দিলে যুব’ক’রা ধ্বং’সে’র পথে যাবে’ মি-ন্নির মৃ-ত্যুদ-ণ্ড দেয়ার সময় যা ঘ-টেছে আ-দালতে রিফাত হ’ত্যা’র পর শেষ বার্তায় মিন্নিকে যা বলেছিল নয়ন বন্ড ফাঁ’সি’র রা’য়ের পর হাসতে হাসতে যা বললেন রিফাত ফরাজি আগামী সপ্তাহে এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার রুটিন, পরীক্ষার প্রস্তুতি জন্য সময় চার সপ্তাহ বাপসু কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপিঃ পুলিশি বাধা ও হট্টগোল প্রবাসীর স্ত্রীদের জন্য স’ত’র্ক’তা, অবশ্যই পড়বেন! মহিলারা কোন ধরনের ছেলেদের সাথে প’র’কী’য়া করে! সবার জানা দরকার……. উ’ত্তে’জনাকর মূ’হুর্তে নাতির পু’রু’ষা’ঙ্গ কে’টে দিলেন দাদি!
মানুষের সঙ্গে শিয়ালটির বসবাস, সাঁতার-ব্যায়াম-ফুটবলেও পটু

মানুষের সঙ্গে শিয়ালটির বসবাস, সাঁতার-ব্যায়াম-ফুটবলেও পটু

মানুষের সঙ্গে শিয়ালটির বসবাস, সাঁতার-ব্যায়াম-ফুটবলেও পটু

শিয়াল মানেই হাঁস-মুরগি নিয়ে ছুটে পালানো এক নিশাচর প্রা’ণী। এ প্রা’ণী থেকে নিজেদের হাঁস-মুরগি বাঁ’চাতে অনেক মানুষ রাত জেগে পাহারাও দেন। কিন্তু সেই শিয়ালই এক কৃষক পরিবারের সঙ্গে রাত কা’টায়। মানুষের মতো সব ধরনের খাবারও খায়।

ব’ন্দি নয়, নিজের ইচ্ছামতো এখানে-সেখানে সারাদিন চলাফেরা করে লাল রঙয়ের এ শিয়ালটি। নির্দিষ্ট সময়ে খেতে আসে, পরিবারের সঙ্গে রাতে ঘুমায় আবার একসঙ্গে ঘুম থেকে ওঠে। বাড়ির ক’র্তার সঙ্গে হাট-বাজার আর দোকানপাটেও যায়। যেন মানুষ আর শিয়ালের গভীর বন্ধুত্ব। তাই শিয়ালটির নাম রাখা হয়েছে ‘বন্ধু’।

অদ্ভু’ত স্বভাবের এ শিয়ালটি পালিত হচ্ছে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজে’লার চর কাদিরা ইউপির চর পাগলা গ্রামের কৃষক মো. ইসমাইলের বাড়িতে। শিয়ালটির বয়স প্রায় আট-নয় মাস।

প্রতিবেশীরা জানান, শিয়ালটি রান্না করা ভাত, শাকসবজি, রুটি, ফলমূলসহ সব ধরনের খাবার খায়। প্রতিদিন শ্যাম্পু দিয়ে গোসলও করে। নিয়মিত পুকুরে সাঁতার দিয়ে ব্যায়াম করে। মাঝে মধ্যে মান-অ’ভিমানও করে। এ শিয়ালকে নিয়ে বাড়ির ছোট শি’শুরা একসঙ্গে ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলাও করে।

স্থানীয় সাংবাদিক সাইফুল্লাহ হেলাল বলেন, শিয়াল পোষ মেনে গৃহে পালিত হতে কখনো শুনিনি বা দেখিনি। সত্যিই এটা অবিশ্বা’স্য।তিনি আরো বলেন, শিয়াল দেখলে ভ’য়ে যে হাঁস-মুরগি লুকিয়ে যায়, সে হাঁস-মুরগি এ শিয়ালের খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। বাড়ির গৃহপালিত সব হাঁস-মুররির পাহাদার বন্ধু নামের এ শিয়ালটি। কুকুরের ভ’য়ে সাধারণত শিয়াল সব সময় তটস্থ থাকে। কিন্তু এ শিয়ালের ভ’য়ে বাড়িতে কুকুর আসে না।

কী’ভাবে শিয়ালটি এ বাড়িতে এলো- জানতে চাইলে কৃষক ইসমাইল বলেন, প্রায় আট মাস আগে পাশের গ্রামের এক বাড়িতে পাম্প মেশিন দিয়ে পানি সেচ করি। ওই সময় একটি গর্তে তিনটি অচেনা প্রা’ণীর বাচ্চা খুঁজে পাই। দুষ্ট কি’শোরদের হাত থেকে বাঁচিয়ে প্রা’ণীগুলোকে বাড়িতে নিয়ে এসে বাচ্চাদের ফিডারে দুধ খাওয়াতে শুরু করি। এক সময় তাদের চোখ ফোটে। এরপর বুঝতে পারি, এগুলো লাল শিয়ালের বাচ্চা। দুর্ভাগ্যবশত দুইটি শিয়াল ছানা মা’রা যায়। বেঁচে থাকে বন্ধু নামের শিয়ালটি।

তিনি আরো বলেন, পরিবারের সবাই শিয়ালটিকে সন্তানের মতোই আদর-যত্ন করি। তার কোনো অ’সুখ হলে চিকিৎসা করাই। শিয়ালটির মা-বাবা মাঝে মধ্যে রাতে তাকে নিতে আসে। কিন্তু সে যায় না, দৌড়ে এসে আমাদের কোলে ওঠে। প্রতিবেশীরাও শিয়ালটিকে যত্ন করে। শিয়ালটি আমা’র পরিবারের সদস্য।

কমলনগর উপজে’লা প্রা’ণিসম্পদ কর্মক’র্তা ডা. আখতারুজ্জামান বলেন, শিয়ালের কা’মড়ে জ’লাত’ঙ্ক রোগ হয়। তবু কুড়িয়ে পাওয়া শিয়াল ছানাকে যত্ন করে বাঁচিয়ে রেখে বড় করা সত্যিই মানবিক। বন্যপ্রা’ণীর প্রতি কৃষকের এমন ভালোবাসা প্রশংসনীয়।

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *