বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
মুহাম্মদ (সঃ) কে অবমাননা :হুঙ্কার দিয়ে মাঠে নেমেছেন এরদোগান ইমরানসহ একাধিক বিশ্বনেতা ! দ্বিতীয়বার ব্যবসায়ীকে বিয়ে ক’রছেন জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস সোহেল চৌধুরীর পরিচিতজনদের খুঁজছেন কন্যা লামিয়া ক্যাটরিনার বিয়ে দিলেন অমিতাভ ও জয়া বচ্চন! সা’রাজীবন যৌ’ন শ’ক্তি ধরে রাখতে যে খাবার খাবেন ফ্রান্সে কিছুক্ষণের মধ্যেই বড় হা’ম’লার ঘোষণা টিভি দেখতে গিয়ে একাধিকবার ধ’র্ষণের শি’কার কলেজছাত্রী বিয়ের রাত থেকেই স্বামীর বি’কৃত যৌ’নস’ঙ্গ’মে মৃ’ত্যু হলো কিশোরী স্ত্রী মাত্র দেড় মাস হলো বিয়ে হয়েছে আর সেদিন থেকেই ঘুমাতে পারিনা ছে’লেকে বাঁ’চাতে নিজের কিডনি দিতে চান মা এখন শুধু প্রয়োজন চিকিৎসা খরচ
আরেক দফা বাড়ল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি,কলেজশিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু ৪ অক্টোবর

আরেক দফা বাড়ল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি,কলেজশিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু ৪ অক্টোবর

আরেক দফা বাড়ল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি,কলেজশিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু ৪ অক্টোবর

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাস শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। আগামী রোববার (৪ অক্টোবর) থেকে সারাদেশের সব কলেজের অধ্যক্ষদের এই ক্লাস চালানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। 

করোনার কারণে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এক চিঠিতে জানিয়েছে, কোভিড-১৯-এর কারণে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া যাতে বিঘ্নিত না হয় সে উদ্দেশ্যে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের আগামী ৪ অক্টোবর থেকে অনলাইনে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

২৯ সেপ্টেম্বর সব সরকারি-বেসরকারি কলেজে করোনার বন্ধে অনলাইন ক্লাস চালুর নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর। অনলাইন ক্লাসের তথ্য আঞ্চলিক পরিচালকদের পাঠাতে হবে অধ্যক্ষদের। আর করোনার বন্ধে সব সরকারি-বেসরকারি কলেজের ছাত্রাবাস বন্ধ রাখতে হবে।

 

শিক্ষকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যাওয়ার নির্দেশনা জারি করা হয়নি : সচিব

 

মহামারি করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মধ্যে শিক্ষকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যাওয়ার নির্দেশনা জারি করা হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

গত ২২ সেপ্টেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হলে অনেক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশ দেন প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা। স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যেও অনেক স্কুল-কলেজে শিক্ষকদের উপস্থিত হওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জারি করা নির্দেশনা নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়।

এই বিষয়টি তুলে ধরা হলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন বলেন, আমরা এ ধরনের কোনও নির্দেশনা জারি করিনি। আমরা নির্দেশনা জারি করেছি স্কুল রি-ওপেনিং প্ল্যান। যখন স্কুল আবারও খোলা হবে তখন কোন কোন বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে স্কুল খুলবে, সেটার একটা গাইডলাইন তৈরি করেছি। ডব্লিউএইচও, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ইউনিসেফ, ইউনেসকো যেসব গাইডলাইন তৈরি করেছে, সেগুলোকে বিবেচনায় নিয়ে এটা তৈরি করেছি। সেটা সব স্কুলে দিয়েছি। আমাদের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেই রি-ওপেনিং প্ল্যান বিবেচনা করে  স্কুল রি-ওপেনিংয়ের একটা প্ল্যান তৈরি করবে। সে জন্য বলেছি, স্কুল খোলার ১৫ দিন আগে কাজগুলো করতে হবে। এর বাইরে স্কুলে আসতে হবে, এমন কোনও সিদ্ধান্ত আমরা দেইনি।

সচিব আরও বলেন, আমরা কিন্তু সরকারি কর্মচারী। আমাদের সব অফিস খুলে দিয়েছে। স্কুলেও কিছু কাজ থাকে, একাডেমিক কাজ থাকে। শিক্ষকরা আসতেই পারেন, অফিসাররা আসতেই পারেন।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানপ্রধান বিদ্যালয়ে যেতে পারেন জরুরি কাজে। প্রয়োজনে সহকর্মীর সহযোগিতার জন্য প্রতিষ্ঠানে আসতে বলতে পারেন। কিন্তু স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে ছুটির মধ্যে অপ্রয়োজনে স্কুলে আসার কোনও দরকার নেই।

প্রধানমন্ত্রীও আশঙ্কা করেছেন, নভেম্বরে একটা সেকেন্ড ওয়েভ আসতে পারে তাহলে শুধু অক্টোবর কেন বন্ধ করা হলো জানতে চাইলে সিনিয়র সচিব বলেন, নভেম্বরের পরিস্থিতি এখনও আমাদের সামনে আসেনি। সেপ্টেম্বরের আক্রান্তের হার বিবেচনায় নিয়ে মনে করছি যে, এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলা সমীচীন হবে না। সে কারণে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

শিক্ষাবর্ষ বাড়বে কিনা জানতে চাইলে সিনিয়র সচিব বলেন, এখনও কোনও পরিকল্পনা নেই। ১ জানুয়ারি যে বই উৎসব করে থাকি, সেই বই ছাপানোর ব্যাপারে আমাদের পুরোদমে কাজ চলছে। আমাদের কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমরা পরবর্তী বছরে বই বিতরণ করব, নতুন সেশন শুরু হবে। সে কারণে আমরা মনে করছি যে, সেশন বাড়ানোর পরিকল্পনা এখন পর্যন্ত নেই।

মূল্যায়ন এবং বার্ষিক পরীক্ষার সম্ভাবনা কমে আসছে কিনা জানতে চাইলে সিনিয়র সচিব বলেন, আমরা ১৬ মার্চ পর্যন্ত ৩০-৩৫ শতাংশ পাঠ পরিকল্পনা শেষ করতে পেরেছি। রেডিও, টেলিভিশন, সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার করে পাঠদান কার্যক্রম চালাচ্ছি। আমাদের মেইন টার্গেট হলো— প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মিনিমাম একটা লার্নিং কমপিটেন্সি লাগে। এটা যাতে প্রতিটি শিশু অর্জন করতে পারে সে ব্যাপারে আমরা কাজ করছি। পরীক্ষা বা মূল্যায়ন না। স্কুলের শিক্ষকই বলতে পারবেন বাচ্চারা সঠিকভাবে লার্নিং কমপিটেন্সি অর্জন করতে পেরেছে কি না, সেটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। পরবর্তী ক্লাসে তুলে দেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকরা একটা টুলস তৈরি করবেন।

 

আরেক দফা বাড়ল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি

 

করো’না পরিস্থিতির কারণে আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে দেশের সব স্কুল-কলেজসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

করো’না পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় এই সিদ্ধান্ত নিল সরকার। বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মক’র্তা আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত এক বি’জ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে বুধবার করো’নাকালীন শিক্ষার বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ভা’র্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ছুটি বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, করোনাভাই’রাস মহামা’রীর কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও বাড়ছে। আজ সেই ঘোষণা এল।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *