বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৭:১০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
শার্লি হেবদোর বি’রুদ্ধে মা’মলা ক’রলেন এরদোয়ান মহানবীর (সা.) ব্যঙ্গচিত্রঃ ফ্রান্সের পণ্য শুধু বয়কটই নয় নতুন পদ্ধতি বললেন জাকির নায়েক ! ফ্রান্সের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আন্দোলন বিশ্ব মিডিয়ায় সয়লাব ! বিয়ের রাত থেকেই অ’তি’রি’ক্ত যৌ’নস’ঙ্গ’মে ১৪ বছরের কিশোরীর মৃ’ত্যু ভারতে ম্যাকরনের প’ক্ষে হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড, চলছে বে’শি ক’রে ফরাসী পণ্য কে’নার আহ্বানও সর্বশেষ; এসআই আকবরের অ’বস্থান শ’নাক্ত ;……এসআই আকব গ্রে’প্তার কত ম্যাক্রোঁ আসলো গেল, ইসলাম সর্ব শ্রেষ্ঠ ধর্ম থেকেই গেল: পার্থ ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুনের পরে মুহাম্মদ (স:) কে নিয়ে এবার আপত্তিকর ভিডিও বানালো ! ফ্রান্সকে কঠিন প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাদের! খালেদা জিয়াকে মা ডাকতেন সেই সেলিম এখন আওয়ামী লীগের ত্রাস!
রায়হান হ’ত্যা’র লো’মহ’র্ষ’ক বর্ণনা! সিসিটিভির ফুটেজে বেরিয়ে এলো চা’ঞ্চল্যকর তথ্য!

রায়হান হ’ত্যা’র লো’মহ’র্ষ’ক বর্ণনা! সিসিটিভির ফুটেজে বেরিয়ে এলো চা’ঞ্চল্যকর তথ্য!

রায়হান হ'ত্যা'র লো'মহ'র্ষ'ক বর্ণনা! সিসিটিভির ফুটেজে বেরিয়ে এলো চা'ঞ্চল্যকর তথ্য!

রোববার ভোর ৩ টার দিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে রায়হান উদ্দিনকে আনা হয় বন্দরবাজার ফাঁড়িতে। সেখানে ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূইয়ার নেতৃত্বেই

তার ওপর নি’র্যাতন চালানো হয়। নি’র্যাতনে গু’রুতর অ’সুস্থ হয়ে পড়লে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে রায়হানকে ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সকাল ৭টার দিকে মা’রা যান তিনি। সিলেটে পুলিশ হেফাজতে রায়হান উদ্দিনের

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মৃ’ত্যুর ঘটনায় গঠিত ত’দন্ত কমিটি এসব তথ্য জানতে পেরেছে। সিলেট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরায়ও ধরা পড়েছে রায়হানকে পুলিশ ফাঁড়িতে আনা নেওয়ার দৃশ্য। রায়হানকে নি’র্যাতনের প্রাথমিক সত্যতাও পেয়েছে ত’দন্ত কমিটি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

যদিও এরআগে বন্দরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ আকবর হোসেন দাবি করে আসছিলেন, রায়হানকে পুলিশ ফাঁড়িতে আনাই হয়নি। কিন্তু সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে তার মি’থ্যাচার। রোববার ভোরে রায়হানের মৃ’ত্যুর ঘটনায় মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (উত্তর) শাহরীয়ার আল মামুনকে প্রধান

করে ত’দন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- কোতোয়ালি থানার সহকারি কমিশনার নির্মল চক্রবর্তী ও বিমানবন্দর থানার সহকারী কমিশনার প্রবাস কুমার সিংহ। এই ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির একটি সূত্র জানায়, সোমবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বন্দর ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর

 

 

 

 

 

 

 

 

 

হোসেন ভূঁইয়াসহ সে সময় দায়িত্বে থাকা ৭ পুলিশ সদস্যকে। ইনচার্জ আকবর প্রথমে রায়হানকে ফাঁড়িতে নেয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ অ’স্বীকার করেন। পরে সিলেট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত কমিটি। সেই ফুটেজ দেখানোর পর সবাই মুখ খুলতে শুরু করেন। ফুটেজে দেখা যায়, শনিবার রাত ৩টা ৯ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এসে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে এসে থামে। সামনের অটোরিকশা থেকে তিন পুলিশ সদস্যের সঙ্গে রায়হানকে দেখা যায়। তিনি হেঁটে হেঁটেই পুলিশের সঙ্গে ফাঁড়িতে প্রবেশ করেন। এর প্রায় তিন ঘণ্টা পর সকাল ৬টা ২২ মিনিটে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা আসে বন্দর ফাঁড়ির সামনে। এর দুই মিনিট পর ৬টা ২৪ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে দুই পুলিশের কাঁধে ভ’র করে রায়হানকে সেই অটোরিকশায় তুলতে দেখা যায়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ইনচার্জ আকবরসহ অন্যরা তদন্ত কমিটিকে জানান, শনিবার রাত আড়াইটার দিকে দু’জন লোক সোবহানীঘাট থেকে কাস্টঘর রোড দিয়ে যাচ্ছিল। পথে সুইপার কলোনির গেটের পাশে তাদের আটক করে ছি’নতাইকারীরা। চা’কু দিয়ে টাউজারের পকেট কে’টে তাদের টাকা-পয়সা নিয়ে পাশের সুইপার সুলাইলালের ঘরে ডুকে যায় তিন ছি’নতাইকারী। এরপর ছি’নতাইয়ের শি’কার লোকজন মহাজনপট্টি দিয়ে বের হয়ে নগরীর বন্দরবাজারের মশরাফিয়া

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

রেস্টুরেন্টে দুই পুলিশকে (কোতোয়ালি থানার মুন্সি ও এক অপারেটর) না’শতা করতে দেখে। তারা পুলিশকে ছি’নতাইয়ের বিষয়টি জানায়। পুলিশ ইকো-১-কে মোবাইলে কল দিয়ে এ খবর জানায়। এরপর ইকো-১-এর ওয়্যারলেস অপারেটর কনস্টেবল আবু তাহের এএসআই আশিক এলাহীর টিমকে খবর পাঠায়। টিমের অন্য সদস্যরা হলেন: কনস্টেবল তৌহিদ মিয়া ও হারুনুর রশিদ। তারা গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ভি’কটিমের উপস্থিতিতে রায়হানকে আ’টক করে। তার সঙ্গে থাকা দু’জন দৌড়ে পা’লিয়ে যায়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পরে রায়হানকে ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয়। এ সময় এএসআই আশিক এলাহী ছি’নতাইয়ের শি’কার লোকের নাম-পরিচয় রাখেননি বলে ত’দন্ত কমিটিকে জানান। ইনচার্জ আকবর চু’প থাকলেও আ’টককারী সদস্যরা কমিটিকে জানান, ফাঁড়িতে নিয়ে আসার পর এসআই আকবরের নেতৃত্বে রায়হানকে নি’র্মমভাবে নি’র্যাতন করা হয়। তার নির্দেশেই তৌহিদের ফোনে রায়হান তার মায়ের সঙ্গে কথা বলে ১০ হাজার টাকা নিয়ে আসতে বলেন। এ ঘটনায় সোমবার বিকালে ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চারজনকে

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সাময়িক ব’রখাস্ত ও তিনজনকে প্র’ত্যাহার করা হয়। ব’রখাস্ত হওয়া অন্য তিনজন হলেন: কনস্টেবল তৌহিদ মিয়া, টিটু চন্দ্র দাশ ও হারুনুর রশীদ। আর প্র’ত্যাহার করা তিনজন হলেন: এএসআই আশেক এলাহী, কুতুব আলী ও কনস্টেবল সজীব হোসেন। পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ব’রখাস্ত ও প্র’ত্যাহার করা সাত পুলিশ সদস্যকে নিয়ে আরেক দফা ত’দন্ত চলছে। এই ত’দন্তের পর এদের মধ্য থেকে রায়হান হ’ত্যা মা’মলায় আ’সামি করা হতে পারে। শনিবার রাতে রায়হানকে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে ১০ হাজার টাকা ঘু’ষ দাবি করে পুলিশের কয়েকজন সদস্য।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ফোনে পরিবারের সদস্যদের টাকা নিয়ে আসতে বলেন রায়হান। রোববার সকালে ৫ হাজার টাকা নিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা থানায় গিয়ে জানতে পারেন, অ’সুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে গিয়ে শোনেন রায়হান মা’রা গেছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে প্রথমে বলা হয়েছিল, নগরীর কাস্টঘর এলাকায় ছি’নতাইয়ের চে’ষ্টাকালে গণ পি’টুনিতে রায়হানের মৃ’ত্যু হয়েছে। রায়হানকে হ’ত্যার অ’ভিযোগে রোববার রাত আড়াইটায় কোতোয়ালি থানায় মা’মলা করেছেন নি’হত রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি। মা’মলাটি ত’দন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে থানার এসআই আবদুল বাতেনকে। সূত্র: যুগান্তর

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *