বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
শার্লি হেবদোর বি’রুদ্ধে মা’মলা ক’রলেন এরদোয়ান মহানবীর (সা.) ব্যঙ্গচিত্রঃ ফ্রান্সের পণ্য শুধু বয়কটই নয় নতুন পদ্ধতি বললেন জাকির নায়েক ! ফ্রান্সের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আন্দোলন বিশ্ব মিডিয়ায় সয়লাব ! বিয়ের রাত থেকেই অ’তি’রি’ক্ত যৌ’নস’ঙ্গ’মে ১৪ বছরের কিশোরীর মৃ’ত্যু ভারতে ম্যাকরনের প’ক্ষে হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড, চলছে বে’শি ক’রে ফরাসী পণ্য কে’নার আহ্বানও সর্বশেষ; এসআই আকবরের অ’বস্থান শ’নাক্ত ;……এসআই আকব গ্রে’প্তার কত ম্যাক্রোঁ আসলো গেল, ইসলাম সর্ব শ্রেষ্ঠ ধর্ম থেকেই গেল: পার্থ ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুনের পরে মুহাম্মদ (স:) কে নিয়ে এবার আপত্তিকর ভিডিও বানালো ! ফ্রান্সকে কঠিন প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি ইরানি সেনাদের! খালেদা জিয়াকে মা ডাকতেন সেই সেলিম এখন আওয়ামী লীগের ত্রাস!
এসআই আকবরের ‘খেলা শেষ’

এসআই আকবরের ‘খেলা শেষ’

এসআই আকবরের ‘খেলা শেষ’

এসআই আকবর সিলেটের আঞ্চলিক ভাষারে নাটকে অভিনয় করেন। বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িকে নিজের থানা হিসেবে চালিয়ে নিতে তিনি। প্রতিদিনই টাকার ভাগভাটোয়ারা নিয়ে সা’লিশ বসাতেন ফাঁড়িতেই।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ফাঁড়ির ভেতরে একটি কক্ষ রয়েছে তার। সেই কক্ষেকে ট’র্চার সেল হিসেবে ব্যবহার করতেন তিনি। সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় নাটক করে হিরো বনে যাওয়া এসআই আকবর এখন ভি’লেনে পরিণত হয়েছেন। তার দায়িত্বহীনতার কারণেই তাকে পুলিশের গঠিত তদন্ত কমিটির

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সুপারিশে ইতোমধ্যে ব’রখাস্ত করা হয়েছে। ফাঁড়ি হলেও বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ভাব থানার মতই। আর ইনচার্জ আকবর ভাবে থানার ওসির মতই। ফাঁড়ির ভেতরে তিনি এসি আবার তিনিও ওসি। তার হ’য়রানির ভ’য়ে কেউ মুখ খুলতেন না। সিলেটে পুলিশ হেফাজতে রায়হানের মৃ’ত্যুর ঘটনায়

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

নি’র্যাতনের বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। নগরীর বন্দরবাজার ফাঁড়ি ইনচার্জ আকবর হোসেনের নেতৃত্বে এ নি’র্যাতন চালানো হয়। ইনচার্জসহ ৭ পুলিশ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য মিলেছে। এ ঘটনায় শা’স্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)। সোমবার আকবরসহ ৪ পুলিশকে সাময়িক

 

 

 

 

 

 

 

 

ব’রখাস্ত এবং ৩ জনকে প্র’ত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির একটি সূত্র জানায়, সোমবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বন্দর ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ সে সময় দায়িত্বে থাকা ৭ পুলিশ সদস্যকে। ইনচার্জ আকবর প্রথমে রায়হানকে ফাঁড়িতে নেয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। পরে সিলেট পুলিশ সুপারের

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কার্যালয়ে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত কমিটি। সেই ফুটেজ দেখানোর পর সবাই মুখ খুলতে শুরু করেন। ফুটেজে শনিবার রাত ৩টা ৯ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে দেখা যায়, দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এসে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে এসে থামে। সামনের অটোরিকশা থেকে তিন পুলিশ সদস্যের সঙ্গে রায়হানকে দেখা যায়। তিনি হেঁটে হেঁটেই পুলিশের সঙ্গে ফাঁড়িতে প্রবেশ করেন। এর প্রায় তিন

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ঘণ্টা পর সকাল ৬টা ২২ মিনিটে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা আসে বন্দর ফাঁড়ির সামনে। এর দুই মিনিট পর ৬টা ২৪ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে দুই পুলিশের কাঁধে ভর করে রায়হানকে সেই অটোরিকশায় তুলতে দেখা যায়। ইনচার্জ আকবরসহ অন্যরা তদন্ত কমিটিকে জানান, শনিবার রাত আড়াইটার দিকে দু’জন লোক সোবহানীঘাট থেকে কাস্টঘর রোড দিয়ে যাচ্ছিল। পথে সুইপার কলোনির গেটের পাশে তাদের আটক করে ছি’নতাইকারীরা।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

চা’কু দিয়ে টা’উজারের পকেট কে’টে তাদের টাকা-পয়সা নিয়ে পাশের সুইপার সুলাইলালের ঘরে ডুকে যায় তিন ছি’নতাইকারী। এরপর ছি’নতাইয়ের শি’কার লোকজন মহাজনপট্টি দিয়ে বের হয়ে নগরীর বন্দরবাজারের মশরাফিয়া রেস্টুরেন্টে দুই পুলিশকে (কোতোয়ালি থানার মুন্সি ও এক অপারেটর) না’শতা করতে দেখে। তারা পুলিশকে ছি’নতাইয়ের বিষয়টি জানায়। পুলিশ ইকো-১-কে মোবাইলে কল দিয়ে এ খবর জানায়। এরপর ইকো-১-এর ওয়্যারলেস

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

অপারেটর কনস্টেবল আবু তাহের এএসআই আশিক এলাহীর টিমকে খবর পাঠায়। টিমের অন্য সদস্যরা হলেন: কনস্টেবল তৌহিদ মিয়া ও হারুনুর রশিদ। তারা গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ভি’কটিমের উপস্থিতিতে রায়হানকে আ’টক করে। তার সঙ্গে থাকা দু’জন দৌড়ে পা’লিয়ে যায়। পরে রায়হানকে ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয়। এ সময় এএসআই আশিক এলাহী ছি’নতাইয়ের শি’কার লোকের নাম-পরিচয় রাখেননি বলে ত’দন্ত কমিটিকে জানান। ইনচার্জ আকবর

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

চু’প থাকলেও আ’টককারী সদস্যরা কমিটিকে জানান, ফাঁড়িতে নিয়ে আসার পর এসআই আকবরের নেতৃত্বে রায়হানকে নির্মমভাবে নি’র্যাতন করা হয়। তার নির্দেশেই তৌহিদের ফোনে রায়হান তার মায়ের সঙ্গে কথা বলে ১০ হাজার টাকা নিয়ে আসতে বলেন। পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ব’রখাস্ত ও প্র’ত্যাহার করা সাত পুলিশ সদস্যকে নিয়ে আরেক দফা তদন্ত চলছে। এই তদন্তের পর এদের মধ্য থেকে রায়হান হ’ত্যা মা’মলায় আ’সামি করা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

হতে পারে। রায়হানকে হ’ত্যার অ’ভিযোগে রোববার রাত আড়াইটায় কোতোয়ালি থানায় মা’মলা করেছেন নি’হত রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি। মা’মলাটি ত’দন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে থানার এসআই আবদুল বাতেনকে। এর আগে এসএমপির উপকমিশনার (ডিসি-উত্তর) আজবাহার আলী শেখ স্বাক্ষরিত ৬৩৫৭নং স্মারকে বলা হয়: রায়হানের স্ত্রীর অ’ভিযোগ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, কে বা কারা তার স্বামীকে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে নিয়ে পুলিশি হেফাজতে রেখে তার হাত-পায়ে আ’ঘাত করে জ’খম করে।

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *