মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৮:২২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
টিভি দেখতে গিয়ে একাধিকবার ধ’র্ষণের শি’কার কলেজছাত্রী বিয়ের রাত থেকেই স্বামীর বি’কৃত যৌ’নস’ঙ্গ’মে মৃ’ত্যু হলো কিশোরী স্ত্রী মাত্র দেড় মাস হলো বিয়ে হয়েছে আর সেদিন থেকেই ঘুমাতে পারিনা ছে’লেকে বাঁ’চাতে নিজের কিডনি দিতে চান মা এখন শুধু প্রয়োজন চিকিৎসা খরচ সালমা’ন শাহর স্ত্রীর স’ঙ্গে প’রকী’য়া নিয়ে যা বল’লেন বর্ত’মান স্বামী মেজর সিনহার পরে হাজী সেলিমের ছেলের ঘটনায় ক্ষুদ্ধ সরকার! মুহাম্মদ (স) কে অবমাননা ; ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতকে তলব ইমরান খানের ! মুহাম্মদ (স ) কে অপমান ; ফ্রান্স জাতীয় দলে না খেলার ঘোষণা দিলেন পগবা! ফ্রান্সের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে মুসলিম বিশ্বে! সালমা’ন শাহর স্ত্রীর স’ঙ্গে প’রকী’য়া নিয়ে যা বল’লেন বর্ত’মান স্বামী
ভারতের পরে এবার যুক্তরাষ্ট্রও বাংলাদেশে চীনকে ঠেকাতে মরিয়া !

ভারতের পরে এবার যুক্তরাষ্ট্রও বাংলাদেশে চীনকে ঠেকাতে মরিয়া !

ভারতের পরে এবার যুক্তরাষ্ট্রও বাংলাদেশে চীনকে ঠেকাতে মরিয়া !

তিনদিনের সফরে মার্কিন উপ পররাষ্ট্র মন্ত্রী স্টিফেন-ই বিগান। আজ তিনি ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। আর এসব বৈঠকে বাংলাদেশ নিয়ে মার্কিন নীতি ও চিন্তা স্পষ্ট হয়েছে। বাংলাদেশে চীনের আধিপত্য ঠেকাতেই মার্কিন মন্ত্রীর এই সফর, এ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন কূটনীতিক মহল।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

তবে, একাধিক সূত্র বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল আগ্রহ বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে। বঙ্গোপসাগরে যেন কোন ভাবেই চীনের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত না হয়, সেটি নিশ্চিত করতেই স্টিফেন ঢাকায় এসেছেন বলে জানা গেছে। গত ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চীনের অংশগ্রহন এবং অবদান বেড়েছে।

বাংলাদেশের প্রায় সব মেগা প্রকল্পে চীন কোন না কোন ভাবে যুক্ত। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে পরিকল্পনা করছে চীন। বঙ্গোপসাগরে যদি চীনের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে এই অঞ্চলের পুরো নিয়ন্ত্রন চলে যাবে চীনের হাতে। এতে শুধু ভারত নয়, ক্ষতিগ্রস্থ হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এক অর্থে, ভারতের চেয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরই ক্ষতি হবে বেশী। মার্কিনীদের ‘বিশ্ব মোড়ল’ থাকাটাও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। গত কিছুদিন ধরেই মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চীনের সামরিক আগ্রাসন নিয়ে কথা বলছে। বিভিন্ন দেশেই চীন অর্থনৈতিক সাহায্যের আড়ালে সামরিক নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠা করছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

যদি বাংলাদেশে বঙ্গোপসাগরে চীনের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়, তাহলে এই অঞ্চলের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রন হারাবে। একারনেই বাংলাদেশের সাথে এমন একটি কৌশলগত অবস্থান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চায় যেখানে চীনের প্রভাব সংকুচিত হয়। এই লক্ষ্যেই বেগান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলছেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

একাধিক সূত্র বলছে, বিগ্যানের এই সফর বাংলাদেশ নিয়ে পরিবর্তিত মার্কিন নীতিরই প্রকাশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন বাংলাদেশের বিষয়ে ভারতের উপর নির্ভর থেকে ভরসা পাচ্ছে না। বাংলাদেশ-ভারত অত্যন্ত আন্তরিক সম্পর্ক থাকার পরও বাংলাদেশে চীনের প্রভাব বেড়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ভারতও কৌশলগত কারণে, বাংলাদেশের সঙ্গে ‘একক সম্পর্কনীতি’ নিয়ে এগুচ্ছে। এরফলে এই অঞ্চলে মার্কিন প্রভাব বেশ ভালো ভাবেই কমে গেছে। তবে, কূটনীতিক মহল মনে করছেন, বাংলাদেশের ব্যাপারে মার্কিন-চীন-ভারতের ত্রিমূখী আগ্রহ বাংলাদেশের কুটনৈতিক সাফল্যেরই চিহ্ন।

সকলের সাথে বন্ধুত্ব। কারো সাথে শত্রুতা নয়- এই নীতির সফল প্রয়োগ ঘটাতে পেরেছে বাংলাদেশ। আর সেজন্যই বাংলাদেশ ভারত এবং চীনের সঙ্গে সমান্তরাল সম্পর্ক রাখতে পারছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেও বাংলাদেশ দুরে ঠেলে দিতে চায় না। অনেকেই মনে করেন, ভারসাম্যের কূটনীতির একটি অনন্য উদাহরণ বাংলাদেশ।

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *