বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন

এসআই আকবর রায়হানকে এক ঘণ্টা নি’র্যা’ত’ন করেন ! প্র’ত্যক্ষদর্শীর লো’ম’হ’র্ষ’ক ব’র্ণনা তুলে ধ’রা হলো…..

এসআই আকবর রায়হানকে এক ঘণ্টা নি’র্যা’ত’ন করেন ! প্র’ত্যক্ষদর্শীর লো’ম’হ’র্ষ’ক ব’র্ণনা তুলে ধ’রা হলো…..

মা’রপি’টকে খুব ভ’য় পেতেন রায়হান। এ কারণে বন্ধুরাও তাকে লেডিস বলে ঠা’ট্টা করতেন। সেই ভ’য় জীবনে কা’ল হয়েই দাঁড়ালো রায়হানের। প্রায় এক ঘণ্টার পু’লিশি নি’র্যা’ত’নে প্রা’ণ হা’রান তিনি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

রোববার (১১ অক্টোবর) ভোর রাতে বন্দরবাজার পু’লিশ ফাঁ’ড়িতে ধ’রে আনার পর তাকে নেওয়া হয় ফাঁ’ড়ির ইনচার্জ আকবর হোসেন ভুঁইয়ার কক্ষে। সেখানে লা’ঠি দিয়ে তাকে উ’প’র্যু’প’রি আ’ঘা’ত করা হয়।

আকবরের সঙ্গে অতিউৎসাহী হয়ে রায়হান উদ্দিনকে (৩০) মা’র’ধ’র ক’রেন ক’নস্টেবল হারুন ও টিটু। ফাঁ’ড়ির প্র’ত্য’ক্ষ’দ’র্শী এক পুলিশ সদস্য এমন লো’ম’হ’র্ষ’ক তথ্য নি’শ্চি’ত ক’রেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

উপ সহকারী পরিদর্শক পদবীর ওই পুলিশ সদস্য দাবি করেন, রোববার ভোর রাতে কাষ্টঘর এলাকায় একটি ছি’ন’তা’ই’য়ে’র ঘ’ট’না ঘ’টে। এক ভ্যান চালকের ১০ হাজার টাকা ও মোবাইল ছি’ন’তা’ই হয়। ছি’ন’তা’ই হওয়া ব্যক্তির বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার মকসুদপুরে। তার দেখানো মতে কাষ্টঘরের সুলাই লালের ঘর থেকে নাকি রায়হানকে ধ’রে পু’লি’শ ফাঁ’ড়িতে আ’নেন তিনি। রায়হানকে ধরার বিষয়টি ওয়ারলেস সেটের মাধ্যমেও অবগত করেছিলেন তিনি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

রায়হানকে ফাঁ’ড়ির অভ্যন্তরে শেষ মাথায় এসআই আকবরের কক্ষে নি’য়ে গে’লে মা’র’ধ’র শুরু করা হয়। তথ্য প্রদানকারী পুলিশ সদস্য রায়হানকে মা’র’তে বা’র’ণ ক’রে এসআই আকবরকে বলেন, স্যার ম’রে যাবে তো। কিন্তু তার কথা না শু’নে পে’টাতে থাকলে তিনি ফাঁ’ড়ি থেকে বেরিয়ে সিগারেট আনতে জিন্দাবাজার পয়েন্টে চলে যান। রাতের ডিউটিতে থাকা সিয়েরা-চার পার্টির পুলিশ কনস্টেবল হারুন ও টিটু মিলে মা’র’ধ’র করলেও তৌহিদ ফেঁ’সে যা’ন মোবাইল ব্যবহার করতে দিয়ে। তার মোবাইল দিয়েই ভোর রাত ৪টা ৩৭ মিনিটের দিকে রায়হানের বাসায় ফোন করা হয়। এরপর কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) সৌমেন মিত্র তাকে ফোন করে ফাঁ’ড়ি’তে আসতে বলেন এবং মৃ’ত্যু প’থ’যা’ত্রী রায়হানকে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে নি’র্দে’শ দে’ন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বন্দরবাজার পু’লিশ ফাঁ’ড়ি’তে সু’স্থ ও স্বা’ভা’বি’ক অ’ব’স্থা’য় রায়হানকে নিয়ে আসা ও নি’র্যা’ত’নে’র প’র হা’সপাতালে নেওয়ার দৃ’শ্য’টি পু’লিশ সুপার কার্যালয়ের সিসি ফু’টেজে ধ’রা প’ড়ে। সেখানে হা’সপাতালের দুই তলায় নিয়ে এক্স-রে করার পর ক্যাজুয়ালিটি বিভাগে ভর্তি করেন। এরপর রায়হানের অবস্থা গু’রু’ত’র হলে আ’ইসিইউতে নেওয়ার ২০ মিনিট পর ভোর ৬টার দিকে দায়িত্বরত চিকিৎসক রায়হানকে মৃ’ত ঘো’ষ’ণা ক’রেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বিষয়টি ফোনে এসআই আকবরকে জা’নান রায়হানকে হা’সপাতালে নিয়ে যাওয়া পুলিশ সদস্য। পরে এসআই আকবর সঙ্গে কনস্টেবল হারুনকে নিয়ে হা’সপাতালে যান। হা’সপাতাল থেকে ফাঁ’ড়ি’তে ফি’রে আ’সার প’র সকাল ৮টার দিকে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ মু’ছে দি’য়ে (ডিলিট) বে’রি’য়ে প’ড়েন। আর ফাঁ’ড়ি থেকে বেরিয়ে লা’পা’ত্তা হ’য়ে যা’ন আকবর। এর পর থেকেই তার মোবাইলও ব’ন্ধ পা’ওয়া যা’য়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

প্র’ত্য’ক্ষ’দ’র্শী ওই পুলিশ সদস্য বলেন, এসআই আকবর বাঁশের লা’ঠি দি’য়ে অ’মা’ন’বি’ক নি’র্যা’ত’ন ক’রে’ছে’ন। তাদের বে’পো’রো’য়া নি’র্যা’ত’নে’র কা’রণে জ’ল’জ্যা’ন্ত মানুষটির আ’ঙু’লে’র ন’খ উ’প’ড়ে যা’য়, হা’ত’ ও পা’য়ে’র হাঁ’ড় ভে’ঙে যায়। রায়হানকে অ’মা’ন’বি’ক নি’র্যা’ত’নের বিষয়টি ওসি সৌমেনকে জানান তিনি। একই বক্তব্য তিনি পুলিশ কমিশনারের সামনেও দি’য়েছেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

প্র’ত্য’ক্ষ’দ’র্শী ওই পু’লিশ সদস্য বলেন, ‘চারজনকে সা’ময়িক ব’র’খা’স্ত ও তিন জনকে প্র’ত্যা’হা’র করা হলেও আমরা ছয় জনই পু’লিশ লা’ইনে আছি। কিন্তু এসআই আকবর নেই, তিনি রোববার সকাল থেকেই লা’পা’ত্তা হয়ে যা’ন। পু’লিশ লাইনে ক’ড়া প্র’হ’রা’য় রাখা হয়েছে আমাদের।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

রোববার (১১ অক্টোবর) রায়হান উদ্দিন নি’হ’ত হন। পু’লিশের দাবি ছি’ন’তা’ই’য়ের অ’ভি’যো’গে নগরীর কা’ষ্ট’ঘ’র এলাকায় গ’ণ’পি’টু’নি’তে রায়হান মা’রা যা’ন। কি’ন্তু নি’হ’তে’র পরিবার ও স্বজনদের অ’ভি’যো’গ, ফাঁ’ড়ি’তে পু’লি’শে’র নি’র্যা’ত’নে রায়হান নি’হ’ত হন। মা’রা যাওয়ার পর রায়হানের শ’রী’রে বিভিন্ন স্থা’নে আ’ঘা’তে’র চি’হ্ন পা’ওয়া যা’য়। তার হাতের ন’খও উ’প’ড়া’নো ছিল। এ ঘ’ট’না’র পর পু’লি’শ হে’ফা’জ’তে নি’র্যা’ত’ন করে রায়হানকে হ’ত্যা’র অ’ভি’যো’গ এনে নি’হ’তে’র স্ত্রী কোতোয়ালি থানার হ’ত্যা মা’ম’লা দা’য়ের ক’রেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সোমবার (১২ অক্টোবর) এ অ’ভি’যো’গে পু’লি’শে’র তিন সদস্যের ত’দন্ত ক’মিটির সু’পারিশে ফাঁ’ড়ি’র ই’ন’চা’র্জ এসআই আকবরসহ চার জনকে সা’ম’য়ি’ক ব’রখা’স্ত ও তিন জনকে প্রত্যা’হা’র ক’রা হয়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সা’ম’য়ি’ক ব’র’খা’স্ত হওয়া অন্য পুলিশ সদস্যরা হলেন- বন্দরবাজার ফাঁড়ির কনস্টেবল হারুনুর রশিদ, তৌহিদ মিয়া ও টিটু চন্দ্র দাস। প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন- এএসআই আশেক এলাহী, এএসআই কুতুব আলী ও কনস্টেবল সজিব হোসেন।

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *