মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি মুসলিমদের ভারত থেকে তাড়াবো ! আলেমদের কটু কথা বলবেন না: জাফরুল্লাহ ‘বিয়ের জন্য অনশন’ প্ল্যাকার্ড হাতে প্রেমিকের বাড়ির সামনে তরুণী মায়ের মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্তির পর ফের কারাগারে ইরফান সেলিম ভাত খে’তে এসে ভা’বি’কে ধ.’ণ, এমন স’ময় উপ’স্থিত স্বামী! আবর্জনার স্তূপ থেকে কুড়িয়ে পাওয়া মেয়েটি তার সবজি বিক্রেতা বাবার এত বড় প্রতিদান দিল এক কেজি শ্বেত চন্দন কাঠের দাম ১৫ হাজার টাকা, তাই চাষ করুন শ্বেত চন্দন উত্তেজনার মধ্যে আসছে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ! ইসরায়েলই ইরানি পরমাণু বিজ্ঞানী ফখরিজাদেহকে হত্যা করেছে : হাসান রুহানি একের পরে এক ভারতের সেনা নিহত ;পাকিস্তানকে কড়া হুঁশিয়ারি ।
বাড়ছে ছুটি, এ বছর হচ্ছে না বার্ষিক পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী

বাড়ছে ছুটি, এ বছর হচ্ছে না বার্ষিক পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী

বাড়ছে ছুটি, এ বছর হচ্ছে না বার্ষিক পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী

চলতি বছরের বার্ষিক পরীক্ষা হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় ডা. দীপু মনি এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সরকারি এ সিদ্ধান্ত জানান।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করতে এনসিটিবি নতুন করে একটি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রণয়ন করেছে। এর আলোকে শিক্ষার্থীদের জন্য অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হবে। এটি মূল্যায়নের মাধ্যমে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা হবে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

দীপু মনি আরও বলেন, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) প্রণয়ন করা সিলেবাস থেকে চারটি অ্যাসাইনমেন্ট এক মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে। এ সিলেবাসটি এনটিসিটির মাধ্যমে দেশের সব প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছে পাঠানো হবে। শিক্ষকদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে তা পৌঁছে দেয়া হবে। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে বা খাতায় লিখে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে পারবে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ভার্চুয়াল এ সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক গোলাম ফারুক চৌধুরী এবং শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

চলমান মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। যদিও এ মুহূর্তে অনলাইন ও টেলিভিশনে ক্লাস নেয়া হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে এ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি), ইবতেদায়ি সমাপনী (ইইসি), জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি), জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) এবং উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

টানা ৭ মাস ধরে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বার্ষিক পরীক্ষা নিয়েও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এ বছর বিদ্যালয়গুলোতে বার্ষিক পরীক্ষাও না নেয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে। এর পরিবর্তে বিকল্প উপায়ে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। আর প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের শিশুদের কোনো ধরনের পরীক্ষা ছাড়াই পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করার সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বাড়ছে ছুটি, এ বছর খুলছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

চলমান মহামারি করোনার কারণে সম্প্রতি বাতিল করা হয়েছে এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষা। জেএসসি ও এসএসসির ফলাফলের গড়ের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে এবারের এইচএসসির ফল।

গত ৭ অক্টোবর দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

চলমান মহামা’রি করো’নাভাই’রাসে বিপর্যস্ত শিক্ষা ব্যবস্থা। করো’না পরিস্থিতির শুরু হওয়ার পর থেকেই বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। এমন অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ভাই’রাস সংক্রমণ রোধে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে চলতি মাস প্রায় শেষের দিকে হলেও এখন পর্যন্ত নভেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে কোনও ইতিবাচক নির্দেশনা নেই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত ‘জাতীয় টেকনিক্যাল পরাম’র্শক কমিটি’র। তবে আসন্ন শীতে করোনার প্রকোপ ফের বৃদ্ধির আশ’ঙ্কা করেছেন স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

তাদের মতে করো’না সংক্রমণ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা উচিৎ হবে না। শিক্ষাখাত সংশ্লিষ্টরাও ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত বিদ্যালয় না খোলার পরাম’র্শ দিয়েছেন। এর আগে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা অ্যাকাডেমি (ন্যাপ) আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৩৯ দিনের জন্য সংক্ষিপ্ত পাঠ-পরিকল্পনা প্রকাশ করেছিল।

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে কোভিড-১৯ এই পরিস্থিতিতে হয়তো নভেম্বরেও খোলা যাবে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তাই সে কারণে নভেম্বর থেকে পঞ্চ’মের শ্রেণি কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে না। যদিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামী নভেম্বরে খুলে দেয়ার জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১৫ দিন আগেই প্রস্তুতি নিতে হতো। সে হিসেবে গত ১৫ অক্টোবর এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়ার কথা। কিন্তু কোনও ধরনের নির্দেশনা নেই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নভেম্বরের শেষ দিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিলেও তাতে প্রস্তুতি লাগবে ১৫ দিন। কিন্তু সেই সময় খোলা গেলেও শুধু পঞ্চ’মের শ্রেণি কার্যক্রমও বাস্তবায়ন করা যাবে না। ফলে পঞ্চ’ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিজস্ব মূল্যায়নে অটোপাস দিতে হবে।

এদিকে আসন্ন শীতে করো’নার সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হওয়ার শ’ঙ্কায় নভেম্বর পর্যন্ত বাড়তে পারে ছুটি। এরই মধ্যে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ থেকে সেকেন্ড ওয়েভের জন্য জে’লায় জে’লায় চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ আবস্থায় এ বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খোলার সম্ভবনা বলে জানিয়েছেন নীতিনির্ধারকরা।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘যেহেতু আম’রা নভেম্বরে করো’নার সেকেন্ড ওয়েভ এর প্রস্তুতি নিচ্ছি কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়, সেহেতু মনে হয় না শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলার সম্ভবনা আছে।’

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

তিনি জানান, ‘সংক্ষিপ্ত এই পাঠ-পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা না গেলে শ্রেণি মূল্যায়নেরও সুযোগ থাকবে না। ফলে পঞ্চ’ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অটো পাস দিতে হবে। একইসঙ্গে অন্যান্য শ্রেণিতেও দেওয়া হবে অটো প্রমোশন।’

তিনি আরো জানিয়েছিলেন, ‘পরিস্থিতি বিবেচনায় নভেম্বর থেকে লেসন প্ল্যান অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত পাঠ-পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার কথা রয়েছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে কোনও নির্দেশনা নেই। পরিস্থিতি উন্নতি হলে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যদি নভেম্বরে স্কুল খোলা না যায় তাহলে প্রধানমন্ত্রী যেটি বলেছেন, আমাদের অটো পাস ছাড়া উপায় নেই।’

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এছাড়াও সম্প্রতি তিনি বলেছেন, শীতে করো’নার প্রকোপ বাড়বে। করো’নার প্রকোপ বাড়লে তো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কোনো সুযোগ থাকবে না। করো’নার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় প্রাথমিক পর্যায়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডার পর্যালোচনা করে আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। এর মধ্যেও যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা না যায় তবে তো অটো প্রমোশন ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারি সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে ছুটি বাড়ানো বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়টি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত ‘জাতীয় টেকনিক্যাল পরাম’র্শক কমিটি’ নভেম্বরে খোলার বিষয়ে এখনও কোনও নির্দেশনা দিতে পারেনি। করো’না আ’ক্রান্তের হার কমলেও সিঙ্গেল ডিজিটে এখনও যায়নি। আ’ক্রান্তের সংখ্যা সিঙ্গেল ডিজিটে গেলে তখন বোঝা যাবে কবে নাগাদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যাবে।

এর আগে দেশে করো’না ভাই’রাস পরিস্থিতিতে গত ১৭ মা’র্চ একযোগে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এর পর কয়েক দফায় ছুটি বাড়লেও সবশেষ আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এ ছুটি বাড়ানো হয়েছে। তবে করোনার প্রকোপ শীতে বৃদ্ধির আশ’ঙ্কায় এই ছুটি আরো বাড়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *