শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০২:৪১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
দী’র্ঘ ২০ মি’নিটের ভি’ডিও ক্লি’পটি ছ’ড়িয়ে প’ড়ে’ছে হাসপাতালের ডাক্তার-নার্স এবং ক’র্মকর্তা-ক’র্মচারী’দে’র হাতে হাতে দাদা-নাতনির প্রে’ম, বিয়ে না হ’ওয়ায়… বিবাহিত অথবা অবিবাহিত সকলের পড়া উচিৎ- এক করুণ কাহিনী ফুলশ’য্যার রাতের গল্পটি পুরোটা প’ড়লে আপনার চোখের জল ধ’রে রা’খতে পা’রবেন না কুকর্মের নথি জাতিসংঘে তুলে ভারতকে সতর্ক করল পাকিস্তান বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তানের একক রাষ্ট্র হওয়া জরুরি! ভারতে থেকে আসামকে বিচ্ছিন্ন করতে উলফা গেরিলাদের প্রশিক্ষণ পাকিস্তানে বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দিরের পর এবার রাম বিমানবন্দর জীবনে কোটি টাকার মালিক হতে চাইলে এই ৪টি ব্যবসার কোন বিকল্প নেই ছেলের বেতন এক কোটি টাকা, শুনে অঝোরে কাঁদলেন ঝালাই মিস্ত্রি বাবা
‘আমাকে স্যার সম্বোধন ক’রে কথা বলুন, আমি ডিসির সমমান’

‘আমাকে স্যার সম্বোধন ক’রে কথা বলুন, আমি ডিসির সমমান’

'আমাকে স্যার সম্বোধন ক'রে কথা বলুন, আমি ডিসির সমমান'

‘আমার সম্পর্কে আপনি কতটুকু জা’নেন, আমি ডিসির সমমান পদমর্যাদায় আছি। আমি ২০তম বিসিএসে ক্যা’ডার হিসেবে যোগদান ক’রার পর ৫ম গ্রেডে কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছি। আমাকে আগে স্যার বলে সম্মোধন ক’রে প’রে কথা ব’লুন’ বলেই ফোন কে’টে দেন ত্রিশাল বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক হোসেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যুৎ বিভাগের নানা অ’নিয়ম ও হ’য়রা’নি শি’কার হ’য়ে কয়েকজন ভু’ক্তভো’গী অ’ভিযোগ ক’রতে ত্রিশাল প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে আসলে এসব বিষয়ে জা’নতে দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি মতিউর রহমান সেলিম নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক হোসেনকে ফোন দিলে তিনি এমন দা’পুটে ক’থা ব’লেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

জা’না যা’য়, চলতি বছরের ৩ আগস্ট নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে ত্রিশাল বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রে যোগদান ক’রেন ফারুক হোসেন। তিনি যোগদানের প’র থেকেই উপজেলায় চলছে ঘনঘন লোডশেডিং, আর ভু’তুরে বিল তো আছেই। দীর্ঘদিন ধ’রে বিভিন্ন গ্রামের গ্রাহকরা গাছ ও বাঁশের খুঁটির মাধ্যমে ঝুঁ’কিপূ’র্ণ সং’যো’গের প’রিবর্তে পিলারের আবেদন ক’রলেও তা আ’মলে নি’চ্ছেন না ওই কর্মকর্তা।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এ ছাড়া বাড়িতে মিটার না থা’কলেও প্রায় অর্ধলাখ টাকার ভু’তুরে বিল দি’য়ে হ’য়রা’নির শি’কার গিয়াস উদ্দিন নামের এক ভু’ক্তভো’গী একাধিকবার নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরে গি’য়ে কোনো সু’রাহা না পে’য়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অ’ভিযো’গ ক’রেন। ওই ঘ’ট’না’য় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্র’কাশিত হ’ওয়ার প’রিপ্রে’ক্ষিতে একটি উচ্চ প’র্যায়ের ত’দ’ন্ত ক’মিটি গ’ঠন হয়। ক’মিটি স’রেজ’মিনে ত’দন্ত ক’রার প’র রেহায় পান ভু’ক্তভো’গী গিয়াস উদ্দিন।’

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

গ্রাহক হ’য়রা’নি আর লোডশেডিংয়ের বিষয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গেলে ভু’ক্তভো’গীরা তার অ’সদাচর’ণের শি’কার হন। বৃহস্পতিবার কয়েকজন ভু’ক্তভো’গী আসেন ত্রিশাল প্রেস ক্লাবে। বিষয়গুলো জা’নতে নির্বাহী প্রকেীশলী ফারুক হোসেনকে দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি ফোন দিয়ে ভাই বলে সম্বোধন ক’রলে তিনি ক্ষি’প্ত হয়ে বলেন, আমি ডিসিদের সমমর্যাদার। আগে আমাকে স্যার বলে স’ম্বোধন ক’রেন পরে কোনো প্রশ্ন থাকলে ক’রুন। এই বলে তিনি ফোন কেটে দেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

স্যার ডাকার বিষয়টি সাংবিধানিক কোনো বাধ্যবাধকতা বা প্রজ্ঞাপন আছে কিনা জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকেীশলী ফারুক হোসেন বলেন, আমি ২০তম বিসিএসে সহকারী প্রকৌশলী ক্যা’ডার হিসেবে বিদ্যুৎ বিভাগে যোগদান ক’রি। ৫ম গ্রেডের কর্মকর্তা হিসেবে আমরা তো ডিসিদের পদমর্যাদার। তাদের স্যার ডাকলে আমাদের স্যার ডাকতে অসুবিধে কোথায়। আপনাদের ইউনিয়ন পর্যায়ে একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে যদি স্যার ডাকতে পারেন আমরা কেন স্যা’র ডাক শুনতে পা’রি না।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বিদ্যুৎ বিভাগের এই অ’সাধু কর্মকর্তা নিজেকে বিসিএস ক্যা’ডার দাবি ক’রলেও বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের ওয়েবসাইডে গিয়ে ১৯৮২ সালের পর থেকে বিদ্যুতের আলাদা কোনো ক্যা’ডারের ত’থ্য পা’ওয়া যা’য়নি। ২০তম বিসিএস দা’বি ক’রলেও সেই তালিকাতেও তা’র নাম দেখা যা’য়নি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

উপজেলার একাধিক বিসিএস কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জা’না যা’য়, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনে ৮২ সালের প’র থেকে বিদ্যুৎ বিভাগে আলাদা ক্যা’ডার আছে বলে আমাদের জা’না নেই। তিনি নিজেকে কেন ২০তম বিসিএস কর্মকর্তা দা’বি ক’রলেন সেটা তিনি বলতে পা’রবেন।

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *