শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০২:২৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
দী’র্ঘ ২০ মি’নিটের ভি’ডিও ক্লি’পটি ছ’ড়িয়ে প’ড়ে’ছে হাসপাতালের ডাক্তার-নার্স এবং ক’র্মকর্তা-ক’র্মচারী’দে’র হাতে হাতে দাদা-নাতনির প্রে’ম, বিয়ে না হ’ওয়ায়… বিবাহিত অথবা অবিবাহিত সকলের পড়া উচিৎ- এক করুণ কাহিনী ফুলশ’য্যার রাতের গল্পটি পুরোটা প’ড়লে আপনার চোখের জল ধ’রে রা’খতে পা’রবেন না কুকর্মের নথি জাতিসংঘে তুলে ভারতকে সতর্ক করল পাকিস্তান বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তানের একক রাষ্ট্র হওয়া জরুরি! ভারতে থেকে আসামকে বিচ্ছিন্ন করতে উলফা গেরিলাদের প্রশিক্ষণ পাকিস্তানে বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দিরের পর এবার রাম বিমানবন্দর জীবনে কোটি টাকার মালিক হতে চাইলে এই ৪টি ব্যবসার কোন বিকল্প নেই ছেলের বেতন এক কোটি টাকা, শুনে অঝোরে কাঁদলেন ঝালাই মিস্ত্রি বাবা
দুই মুসলিম বিজ্ঞানী করোনার প্রথম কার্যকরী ভ্যাকসিন আবিষ্কারক

দুই মুসলিম বিজ্ঞানী করোনার প্রথম কার্যকরী ভ্যাকসিন আবিষ্কারক

দুই মুসলিম বিজ্ঞানী করোনার প্রথম কার্যকরী ভ্যাকসিন আবিষ্কারক

মহা’মা’রি করো’না ভাইরাসে স্তব্ধ পুরো পৃথিবী। করো’নার কার্যকরী ভ্যাকসিন তৈরিতে কাজ করছে বেশ কিছু সনামধন্য প্রতিষ্ঠান। এরই মধ্যে করো’নার ভ্যাকসিন নিয়ে প্রথম সুখবর জানিয়েছে বিশ্বখ্যাত ওষুধ কোম্পানি ফাইজার ও জার্মানভিত্তিক বায়োএনটেক কোম্পানি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

প্রথম ফাইজারই ঘোষণা দেয়, তাদের ভ্যাকসিন করো’নাভাইরাসের বিরু ‘দ্ধে লড়াইয়ে ৯৫ শতাংশ কার্যকর। এর পরপর আরেকটি কার্যকর ভ্যাকসিনের ঘোষণা দেয় মডার্না। তবে এক কথা বলাই বাহুল্য, প্রথম যে কার্যকরী ভ্যাকসিনের কথা জানিয়েছেন ফাইজার। সেটি প্রথম। আর এক মুসলিম দম্পতির সফল প্রচেষ্টার ফল প্রথম কার্যকরী ভ্যাকসিন।

 

 

 

 

 

 

 

ফাইজারের করো’নার ভ্যাকসিন আ বি’ষ্কারের পুরো দায়িত্বে ছিলেন বায়োএনটেক কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা তুরস্ক বংশোদ্ভূ’ত জার্মান দম্পতি উগার শাহিন ও ওজলেম তুরেসি। এই দুই বিজ্ঞানী মূলত ক্যানসার সেল নিয়ে গবেষণার জন্য বায়োএনটেক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

তুরস্কের ইস্কেন্দেরুন শহরে জন্মগ্রহণ করেন ৫৫ বছর বয়স্ক ড. উগার শাহিন। মাত্র চার বছর বয়সে অ’ভিবাসী হিসেবে পরিবারের স’ঙ্গে জার্মানিতে আসেন। বাবা ফোর্ড গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে সংসার চালাতেন। ছোট থেকেই উগার শাহিন চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। অবশেষে স্বপ্ন পূরণ শেষেই দ্রুতই যোগ দিতে হয় কাজে। কিন্তু এতে থেমে থাকেননি তিনি। কর্মস্থল থেকেই ১৯৯৩ সালে প্রথম পিএইচডি করেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সেখানেই পরিচয় হয় ড. ওজলেম তুরেসির স’ঙ্গে। তারপর বিয়ে। দুজন মিলে গড়ে তোলেন বায়োএনটেক নামের একটি গবেষণা কেন্দ্র। মূলত ক্যানসার নিয়ে গবেষণার লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুললেও তারা যে এমন মহা’মা’রিতে স্তব্ধ হয়ে যাওয়া পৃথিবীতে আবার প্রাণ ফিরিয়ে দেবার কাজে জড়িত হবেন তা কখনই ভাবেননি। করো’নার ভ্যাকসিন তৈরির কোনো পরিকল্পনা সে সময় ছিল না। সে সময়তো এই রোগের কারণ নতুন করো’নাভাইরাসটির সংক্রমণই দেখা দেয়নি। এর অস্তিত্ব সম্পর্কেই কেউ ওয়াকিবহাল ছিল না।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ড. ওজলেম তুরেসির জন্ম জার্মানিতেই। জন্মের আগেই তাঁর পরিবার জার্মানিতে পাড়ি জমায়। বাবা ছিলেন চিকিৎসক। বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে তিনিও চিকিৎসক হিসেবে আ’ত্মপ্রকাশ করেন। উগার শাহিনের স’ঙ্গে একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। বর্তমানে ৫৩ বছর বয়সী বায়োএনটেকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ওজলেম তুরেসি প্রতিষ্ঠানটির প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা। ইমিউনলজিস্ট হিসেবে তাঁর খ্যাতি রয়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মাত্র দুই বছর আগে জার্মানির একটি সেমিনারে মানবদে’হের কোষে অবস্থিত আরএনএ সেল সম্পর্কে গবেষণামূলক তথ্য উপস্থাপন করেছিলেন উগার শাহিন। সেখানেই পরিচয় হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি ফাইজারের সিইও আলবার্ট বোরলার স’ঙ্গে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

করো’নাভাইরাস মহা’মা’রি ছড়িয়ে পরলে বোরলা বায়োএনটেকের সিইও ড. শাহিনের স’ঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সেই আলাপের সূত্র ধরেই শুরু হয় কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন আ বি’ষ্কারের গবেষণা। তাঁদের প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিতে বর্তমানে ১ হাজার ৪০০ গবেষক কর্মর’ত।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এদিকে তাদের আ বি’ষ্কৃত করো’না ভ্যাকসিন সম্পর্কে ড. শাহিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘মানবতার জন্য এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় সুখবর হচ্ছে কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে আমর’া একটি ভ্যাকসিনের খোঁজ পেয়েছি।’ মানবতার সেবায় আ’ত্মনিয়োগ করা এই দুই বিজ্ঞানী বিয়ের দিনটিও তাঁরা ক্যানসার গবেষণাতেই কাটিয়েছিলেন।

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *