মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
সাব’ধান! না’রীর যো’নীতে মুখ দেওয়া’র আগে এই বি’ষয়টা জেনে নিন। প্র’ত্যেক পু’রু’ষের জা’না দরকার যৌ’ন চা’হিদা মেটাতে একি কা’ণ্ড করলেন স’দ্য বিবা’হিতা ত’রুণী ! বিস্তারিত ভিতরে ৫ দিনে ৩ টা খা’ট ভা’ঙলো হোম কোয়া’রেন্টা’ইনে থাকা ব’রিশালের নব দ’ম্পতি ! মা’কে পাশে’র রুমে রে’খে প্রেমিকে’র সঙ্গে শা’রীরি’ক স’ম্প’র্কে লি’প্ত কিশো’রী মায়ে’র জন্য পা’ত্র খুঁজছেন ক’লেজ পড়ুয়া মে’য়ে! বাংলাদেশে সবাইকে ছাড়িয়ে শীর্ষে তুর্কি অ্যাপ ‘বিপ’ পশ্চিমা কোনো দেশের নির্দেশ মানব না: এরদোগান জয়ী হয়েই বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীদের বাসায় কাদের মির্জা দ্বি,গুণ উ’ত্তেজনা বাড়াতে এই বিশেষ কাজ চ’রম তৃ’প্তি দেয় মে’য়েদের মি’লনকালে মে’য়েরা ব্য’থা পাওয়ার ৫টি কারণ
ভারতে থেকে আসামকে বিচ্ছিন্ন করতে উলফা গেরিলাদের প্রশিক্ষণ পাকিস্তানে

ভারতে থেকে আসামকে বিচ্ছিন্ন করতে উলফা গেরিলাদের প্রশিক্ষণ পাকিস্তানে

ভারতে থেকে আসামকে বিচ্ছিন্ন করতে উলফা গেরিলাদের প্রশিক্ষণ পাকিস্তানে

ভারতের আসাম রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী গেরিলা সংগঠন ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্টের (উলফা) গেরিলা যোদ্ধাদের পাকিস্তানের মদদে প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো, ভারতের নিরাপত্তাবহিনী সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে। উলফার গেরিলারা পাকিস্তানের কাছ থেকে সামরিক প্রশিক্ষণ পেয়েছিল বলে দাবি ওই সূত্রের।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

উলফা আসামকে ভারতে থেকে বিচ্ছিন্ন করতে গেরিলা যু’দ্ধে লিপ্ত ছিল যা বর্তমানে স্তি’মিত হয়ে গেছে। সম্প্রতি উলফার সশ’স্ত্র গোষ্ঠীর উপ-প্রধান দৃষ্টি রাজখোয়া ভারতের কেন্দ্রীয় নিরা’পত্তার’ক্ষী বাহি’নীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। এর পর পরই ভারতের নি’রাপ’ত্তাবা’হি’নীর সূত্র হতে জানা গেল, উলফার গেরিলা বা’হি’নীর সাত সদস্যের একটি দলকে প্রশিক্ষণ দিয়েছিল পাকিস্তান।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

জানা গেছে, ২০০৫ সালে পাকিস্তান এই দলটিকে সামরিক প্রশিক্ষণ প্রদান করেছিল। ভারতের নিরা’পত্তা বাহি’নীর ওই সূত্রের তথ্য থেকে জানা গেছে, উলফার সাত সদস্যের এ গোষ্ঠীর গেরিলাদের জাল পাসপোর্টের ব্যবস্থা করা হয়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

দৃষ্টি রাজখোয়ার পাসপোর্টের তথ্যে তাকে শিলংয়ের একজন খাসিয়া বলে উল্লেখ করা হয়। দুই মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণ চলেছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর মিলেছে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি হয়েছে আফগানিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন পেশোয়ার অঞ্চলে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

উলফার শক্তি এখন আর নেই। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের এ বিদ্রোহী সংগঠনটি আসামকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য বিভিন্ন সহিংস তৎপরতায় লিপ্ত ছিল। কিন্তু ২০১১ সালে সংগঠনটি শান্তি চুক্তি করার মধ্য দিয়ে গেরিলাযুদ্ধের ইতি টানে। যদিও উলফার কিছু নেতা এ চুক্তিকে মেনে নেয়নি। তবে অনেক নেতাই আত্মসমর্পণ করে নিরাপত্তাবাহিনীর কাছে ধরা দিয়েছে। সূত্র: জাস্টআর্থ, জিফাইভ, ইকোনমিক টাইমস।

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *