সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
মাত্র ৯০০০ টাকা কেজি দরে ভারতে বিক্রি হচ্ছে ‘সোনার মিষ্টি পৃথিবীর অন্যতম বড় শক্তিতে পরিণত হতে যাচ্ছে তুরস্ক! ভাস্কর্য বিতর্কের মধ্যেই অবশেষে নির্মিত হচ্ছে ‘আল্লাহু স্তম্ভ’! ক্ষমতা ছেড়েও রক্ষা নেই প্রতিশোধ অনিবার্য: ট্রাম্পকে খামেনির হুঁশিয়ারি! সর্বাত্মক চেষ্টা করেও ইরানকে ঠেকাতে পারেননি ট্রাম্প ! মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই রাশিয়ায় সেনা পাঠাচ্ছে ভারত ! ইসরাইলের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সফল ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় পাকিস্তান! বন্ধু ট্রাম্প নাই ; বাধ্য হয়েই কি ইরানের সাথে সম্পর্কে যাচ্ছে সৌদি ! এক দিনে মার্কিন সেনাবহরে পাঁচ হামলা! চিংড়ি মাছের গায়ে ‘আল্লাহু’ সদৃশ লেখা, দেখতে ভিড় করছেন শত শত মানুষ
বরিশালে প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকার চু’মুর ছবি এখন মোবাইলে মোবাইলে

বরিশালে প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকার চু’মুর ছবি এখন মোবাইলে মোবাইলে

বরিশালে প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকার চু'মুর ছবি এখন মোবাইলে মোবাইলে

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বি’রুদ্ধে নারী কে’লেঙ্কা’রিসহ ব্যাপক দু’র্নীতির অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে। এক প্রধান শিক্ষক অন্য এক প্রধান শিক্ষিকাকে চু’মু দিচ্ছেন এমন একটি ছবি ভাইরাল হয়ে পড়েছে। এ ঘ’টনায় উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আকবর কবীর সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. রোমাঞ্চ আহমেদকে প্রধান করে দুই সদস্যের ত’দন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অপর তদন্তকারী হলেন সহকারী শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ মনীরুল হক।

গেলো ১৬ নভেম্বর সচেতন নাগরিকদের পক্ষ থেকে বাবুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী ইমদাদুল হক দুলালের কাছে প্রধান শিক্ষক মো. মোক্তার হোসেনের বি’রুদ্ধে নারী কে’লেঙ্কা’রি, চাকরি দেয়ার নামে ঘুষ, শিক্ষক বদলি বাণিজ্যসহ ১৭টি অভিযোগ দায়ের করা হয়। এতে উপজেলা চেয়ারম্যান উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

সম্প্রতি ওই প্রধান শিক্ষক মোক্তার হোসেন এবং অপর এক প্রধান শিক্ষিকার অন্তরঙ্গ ছবি বাবুগঞ্জ শিক্ষক সমিতির এক নেতার ফেসবুক আইডি স্ট্যাটাস দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে ছবিটি ভাইরাল হয়। এ নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন চলছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জানান, দুই সন্তানের জননী ওই শিক্ষিকা বর্তমানে উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত রয়েছেন। শিক্ষক মোক্তার হোসেন বিভিন্ন সময় প্রধান শিক্ষিকাকে ফোন করে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন কাজের দায়িত্ব দিলে তিনি তা করে দিতেন। এভাবেই তাদের মধ্যে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

প্রধান শিক্ষিকা ওই বাসায় গেলে তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রধান শিক্ষিকার শর্তসাপেক্ষে মোক্তার হোসেন তার প্রথম স্ত্রীকে গেলো ২৭ সেপ্টেম্বর নোটারির মাধ্যমে তালাক দেয় এবং ২৯ সেপ্টেম্বর নোটারির মাধ্যমে ১৫ লাখ টাকার কাবিনে তাকে বিয়ে করে।

এদিকে বিয়ের পরও মোক্তার হোসেন প্রথম স্ত্রীর কাছে থাকায় দ্বিতীয় স্ত্রী স্বামীর অধিকার পেতে উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী ইমদাদুল হক দুলালের কাছে মৌখিক অভিযোগ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয় শিক্ষক মোক্তার হোসেন। পরে বিয়ের আগে ওই শিক্ষিকাকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে তোলা অন্তরঙ্গ ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেয়।

দুই সন্তানের জনক উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের ইদিলকাঠি গ্রামের অধিবাসী মো. মোক্তার হোসেন বলেন, তার সঙ্গে আমার কর্মক্ষেত্রে সাধারণ পরিচয় ছাড়া আর অন্য কোনও সম্পর্ক নেই। ভাইরাল হওয়া ছবি সম্পর্কে তিনি কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি।

অপরদিকে ভু’ক্তভো’গী প্রধান শিক্ষিকা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, মোক্তার হোসেন আমার জীবন শেষ করছে। আপনারা তার সঙ্গে আমাকে মিলিয়ে দেন।
মোক্তারে প্রথম স্ত্রী নাছিমা বেগম বলেন, আমার স্বামী আমাকে তালাক দিতে পারে না। ওই প্রধান শিক্ষিকা তাকে ফাঁদে ফেলে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। ভাইরাল হওয়া ছবির বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।

বাবুগঞ্জ শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. জাহিদুর জানান, শিক্ষা অফিসারের কাছে মৌখিকভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে। লম্পট প্রধান শিক্ষক মোক্তার হোমেন এবং ওই প্রধান শিক্ষিকা দুজনই বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক তালিকায় আছেন। এখন তারাই বাবুগঞ্জে শ্রেষ্ঠ প্রেমিক-প্রেমিকা হিসেবে শিক্ষক সমাজের কলঙ্ক।

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *