শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:২৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
এবার বাংলাদেশ বিজিবির গুলিতে ভারতীয় নাগরিক নিহত !

এবার বাংলাদেশ বিজিবির গুলিতে ভারতীয় নাগরিক নিহত !

এবার বাংলাদেশ বিজিবির গুলিতে ভারতীয় নাগরিক নিহত !

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে গো’লাগু’লিতে ভারতীয় এক চোরাকারবারি নি’হ’ত হয়েছে। এ ঘটনায় বিজিবির এক সদস্যও আ’হ’ত হয়েছেন। সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার সূর্যপুর ডুমলিকুড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিজিবি গোবরাকুড়া ক্যাম্প কমান্ডার উমর ফারুক। তিনি বলেন, সোমবার গভীর রাতে একদল চোরাকারবারিকে ধাওয়া দেয় সূর্যপুর বিওপি বিজিবির টহলদল। এ সময় উভয়পক্ষে গোলাগুলি হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য আ’হ’ত হন এবং ভারতীয় এক চোরাকারবারি নি’হ’ত হয়। তবে তার নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

এ বিষয়ে হালুয়াঘাট থানার ওসি মাহমুদুল হাসান বলেন, সোমবার রাতে ভারতীয় চোরাকারবারি বাংলাদেশে প্রবেশ করলে বিজিবি তাদের ধাওয়া করে। বিজিবির সঙ্গে তাদের গু’লাগু’লি হয়। এতে ভারতীয় এক চোরাকারবারি নি’হ’ত হয়েছেন। তবে নি’হ’তের নাম-ঠিকানা এখনো জানা যায়নি। ঘটনাস্থরে পুলিশ কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

আরো পড়ুন:সেই মুসলিম তরুণ সালমানের পক্ষে রায় দিল ভারতের হাইকোর্ট!

ভারতে ভিন্ন ধর্মের বিয়ে ঠেকাতে নতুন আইন করায় ও স্থানীয় প্রশাসন এ ধরনের দম্পতিকে হয়রানি করায় উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করেছেন এলাহাবাদ হাইকোর্ট।আদালত বলেছেন, একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী যদি তার স্বামী নিজেই পছন্দ করতে পারেন এবং তার সঙ্গে জীবন কাটাতে চান, সেই স্বাধীনতা রয়েছে তার।

লাভ জিহাদের অজুহাতে উত্তরপ্রদেশের পর একের পর এক বিজেপিশাসিত রাজ্য যখন বিয়ের নামে ধর্মান্তরণ প্র’তিরোধী আইন কার্যকর করতে ওঠে-পড়ে লেগেছে, সেসময় ভিন্ন ধর্মের এক দম্পতিকে নিয়ে মামলার শুনানিতে এ রায় দেন এলাহাবাদ হাইকোর্ট।আদালত সাফ জানিয়েছেন, একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর সিদ্ধান্তে কোনও তৃতীয় ব্যক্তির নাক গলানোর অধিকার নেই।

উত্তরপ্রদেশে ধর্মান্তরণ আইন কার্যকর হওয়ার আগে ইটায় সালমান নামে এক মুসলিম তরুণের সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন শিখা নামে এক হিন্দু তরুণী। তা নিয়ে সেপ্টেম্বর মাসে সালমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন শিখার পরিবারের লোকজন।

অভিযোগ করেন, তাদের মেয়েকে অ’পহরণ করেছেন সালমান। জোর করে শিখাকে বিয়ে করতে বাধ্য করেছেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে শিখাকে শিশুকল্যাণ কমিটির হেফাজতে পাঠিয়ে দেন জেলার মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট। সেখান থেকে বাবা-মায়ের হাতেই আসে শিখার হেফাজতের ভার।

জেলা আদালতের সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সম্প্রতি এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সালমান। বেআইনিভাবে তার স্ত্রীকে আটকে রাখা হয়েছে এবং ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সোমবার সেই মামলার শুনানিকালে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন এবং মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটকেই একহাত নেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি পঙ্কজ নকভি ও বিবেক আগারওয়ালের ডিভিশন বেঞ্চ।তারা জানান, মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট এবং শিশুকল্যাণ কমিটি আইন-কানুন সম্পর্কে কতটা শ্রদ্ধাশীল তা তাদের সিদ্ধান্তে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে শিখার সঙ্গেও একদফা কথা বলেন দুই বিচারপতি।আদালতে শিখা জানান, সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছায় সালমানকে বিয়ে করেছেন তিনি।আদালতে স্কুলের সার্টিফিকেট জমা দিয়ে শিখা জানান, ১৯৯৯ সালের ৪ অক্টোবর তার জন্ম। সেই হিসাবে আইনত প্রাপ্তবয়স্ক তিনি। তার পরেও জোর করে স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে বাধ্য করা হচ্ছে তাকে।

পুলিশকেও তিরস্কার করেন আদালত। সালমানের সঙ্গে শিখা শ্বশুরবাড়ি না ফেরা পর্যন্ত ওই দম্পতিকে পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দেন দুই বিচারপতি। সূত্র: পিটিআই

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *