সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১, ১০:১০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
মাত্র ৯০০০ টাকা কেজি দরে ভারতে বিক্রি হচ্ছে ‘সোনার মিষ্টি পৃথিবীর অন্যতম বড় শক্তিতে পরিণত হতে যাচ্ছে তুরস্ক! ভাস্কর্য বিতর্কের মধ্যেই অবশেষে নির্মিত হচ্ছে ‘আল্লাহু স্তম্ভ’! ক্ষমতা ছেড়েও রক্ষা নেই প্রতিশোধ অনিবার্য: ট্রাম্পকে খামেনির হুঁশিয়ারি! সর্বাত্মক চেষ্টা করেও ইরানকে ঠেকাতে পারেননি ট্রাম্প ! মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই রাশিয়ায় সেনা পাঠাচ্ছে ভারত ! ইসরাইলের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সফল ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় পাকিস্তান! বন্ধু ট্রাম্প নাই ; বাধ্য হয়েই কি ইরানের সাথে সম্পর্কে যাচ্ছে সৌদি ! এক দিনে মার্কিন সেনাবহরে পাঁচ হামলা! চিংড়ি মাছের গায়ে ‘আল্লাহু’ সদৃশ লেখা, দেখতে ভিড় করছেন শত শত মানুষ
২১ আসছে পুরুষদের জন্মবিরতিকরণ পিল

২১ আসছে পুরুষদের জন্মবিরতিকরণ পিল

২১ আসছে পুরুষদের জন্মবিরতিকরণ পিল

নেস্টোরন টেস্টিসে শুক্রাণুর উৎপাদন এমন প্রক্রিয়াতে কমিয়ে ফেলে যে তা পুরুষের লিবিডোকে (যৌ’নক্রিয়া) প্রভাবিত না করেই শুক্রাণুর উৎপাদন কার্যকরভাবে প্রতিহত করে।

এদিকে গর্ভনিরোধক তথা জন্মবিরতিকরণ পিল বলতে আম’রা সাধারণত নারীদের সেবন উপযোগী পিলই বুঝে থাকি। তবে এবার এ ধারণার পরিবর্তন হতে যাচ্ছে।

আশা করা হচ্ছে, ২০২১ সালের মধ্যে পুরুষদের জন্যও জন্মবিরতিকরণ পিল বাজারে আসবে।অবশ্য, পুরুষদের এই পিলের ধারণা নতুন নয়। আজ থেকে ৬০ বছর আগেই ব্রিটেনে উত্থাপন করা হয়েছিল এটি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

গত ২৫ বছর যাবৎ বিজ্ঞানীরাও অবিরাম বলে চলেছেন, এটি প্রস্তুত। তবু এখনও শেষটা কেউ দেখে উঠতে পারেনি। নতুন করে আবারও আশায় বুক বাঁ’ধা হচ্ছে ২০২১ এর জন্য।

সর্বশেষ গবেষণা অনুযায়ী, পুরুষরা তাদের জন্য প্রতিরোধমূলক পণ্যগুলো শিগগিরই গ্রহণ করতে সক্ষম হবে- জে’ল, পিল, মাসিক ইনজেকশান এমনকি প্রতিবর্তনযোগ্য বন্ধ্যাকরণ অ’স্ত্রোপচার- সবকিছুই ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলেছে।

সাধারণ চোখে মনে হয়, পুরুষদের প্রজননতন্ত্র নিয়ন্ত্রণ অ’পেক্ষাকৃত সহ’জ। নারীদের চাইতেও এখানে জটিলতা কম।অথচ সত্যিটা পুরোই উল্টো।

একজন পুরুষের জৈবিক উদ্দেশ্য হল তার জিনগুলোকে ছড়িয়ে দেওয়া, বংশবিস্তার করা। সারাদিনজুড়ে একজন প্রজননে সক্ষম পুরুষ প্রতি সেকেন্ডে এক হাজার শুক্রাণু উৎপাদন করে,

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

জৈবিক ক্রিয়ার সময় নির্গত করেন ২৫০ মিলিয়ন শুক্রাণু-এই বিপুল পরিমাণ শুক্রাণুর কৃত্রিমভাবে নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করা কার্যকরভাবেই কঠিন। অন্যদিকে প্রাকৃতিকভাবে একজন নারী প্রতি মাসে মাত্র একটি অথবা দুটি ডিম্বাণু নিঃসরণ করেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অংশ হিসেবে, পুরুষেরা এই জে’ল তাদের কাঁধে এবং উপরের বাহুতে প্রতিদিন মাখবেন। হরমোন তাদের ত্বকের নিচে শোষিত হবে এবং

পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আস্তে আস্তে তা র’ক্তস্রোতে মিশে যেতে থাকবে। ব্রিটেনে এটি এডিনবরা ইউনিভা’র্সিটি এবং ম্যানচেস্টার ইউনিভা’র্সিটি এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট কর্তৃক পরীক্ষিত হচ্ছে। সূত্র: ডেইলি মেইল

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *