শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৬:৩০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
ভিজিটিং কার্ডের মাধ্যমে দে’হ ব্য’বসা,ক’চি মে’য়ে আছে

ভিজিটিং কার্ডের মাধ্যমে দে’হ ব্য’বসা,ক’চি মে’য়ে আছে

ভিজিটিং কার্ডের মাধ্যমে দে’হ ব্য’বসা,ক’চি মে’য়ে আছে

যে দেশের মানুষ শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমান সেখানে নাকি ভিজিটিং কার্ডের মাধ্যমে দেহ ব্যবসা করছে। আজ কোথায় গিয়ে দাঁড়াল আমার দেশ একটু চিন্তা করেছেন।

বরাবরের মতো নাকি যৌন ব্যবসা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ দৃষ্টি রয়েছে তখন যৌন কর্মীরা বিভিন্ন কায়দা ব্যবহার করে দেহ ব্যবসা করে আরছে। কাস্টমার ধরতে ভিজিটিং ব্যবহার করে আরছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

শহরের ব্যস্ততম জায়গা গুলোতে এবং রাস্তার পাশে দাড়িঁয়ে এইসব কার্ড পথচারীদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আবার কার্ডের গায়ে লেখা থাকে বিস্তারিত জানতে এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

এর পরের খবর, আমাদের কাছে এসি,নন এসি ,উন্নত মানের রুম ভাড়া দেওয়া হয়।আবার উল্লেখ করা নিদিষ্ট হোটেল লোকেশন।কার্ডের নাম্বারে কল করলে রিসিভ করে একজন ভদ্র পুরুষ।

মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্য ওই সব লোকেরা বলে স্যার আপনার কি লাগবে? স্যার আপনাকে কি ভাবে সাহায্য করতে পারি? এটাও বুঝিয়ে দেওয়া হয় আমাদের কাছে আছে বিভিন্ন কলেজ, ইউনিভারসিটির ছাত্রী ও মধ্য বয়সের মহিলা যৌ’নকর্মীরা।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ঢাকা মিরপুর পশ্চিম শেওড়াপাড়ার শামীম সরণি গলি পথে দেখা যায় বোরকা পরিহিত এক নারী রাস্তার পথচারীদের হাতে ধরিয়ে দিচ্ছেন একটি কার্ড।কার্ডের মধ্যে লেখা থাকে ব্যক্তির নাম ও মোবাইল নাম্বার। ফোন দিলে রানা ভাই নামের এক লোক ফোন রিসিভ করে কথা বলে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বিভিন্ন মাধ্যম থেকে খোঁজ পাওয়া যায়, কেবল মিরপুর কিংবা ফার্মগেট এলাকায় শুধু এই ব্যবসা চলে না, ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন কায়দা ব্যবহার করে দেহ ব্যবসা করে আসছে।

ভিজিটিং কার্ডের নম্বরধারীরা সাধারণত চারটি ভাগে রাজধানীতে যৌ’নকর্মী সরবরাহ করে। প্রথমত যৌ’নকর্মীকে ভিজিটরের বাসার ঠিকানায় পৌঁছে দেয়া,

 

 

 

 

 

 

 

 

দ্বিতীয়ত যৌ’নকর্মী ও ফ্ল্যাট ভিজিটরকে নিরাপদে নিয়ে আসা, তৃতীয়ত হোটেল কক্ষে যৌ’ন মিলনে নি’রাপত্তার ব্যবস্থা করা এবং চতুর্থ প্রাইভেট পরিবহন ও পার্ক।

হিসাব করে দেখা গেছে ঢাকার মধ্যে রয়েছে প্রায় এক হাজারের মত আবাসিক হোটেল। এসব হোটেল গুলোতে চলে দিন রাত অবাধে দেহ ব্যবসা। বিভিন্ন মহল থেকে জানা গেছে হোটেল মালিকেরা নাকি প্রতি মাসে প্রশাসনকে নাকি মোটা অংকের টাকা দেয়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পর্বতা সেনপাড়ার এক ব্যক্তি জানান, মিরপুর এলাকায় গত কয়েক মাস ধরে আবাসিক হোটেলে অ’বৈধ ব্যবসা বন্ধ ছিল। তবে সম্প্রতি হোটেল মালিকরা মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে নতুন করে ওই ধরনের অ’বৈধ ব্যবসা শুরু করেছে।

গুরুত্বপূর্ণ সব সংবাদ  পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

https://www.facebook.com/BangaliTimesofficel

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *