সাইকোলজিকাল ফ্যাক্ট

1.জীবনে যখনি কোনো অবস্থায় নার্ভাস হয়ে পড়বেন, তখন আপনার এমন কোনো বন্ধুর কথা ভাবতে থাকুন যার সাথে আপনার অনেক দিন দেখা হয়নি। তাহলে দেখবেন আপনার মস্তিষ্ক কিছু সময়ের জন্য রিল্যাক্স হয়ে যাবে এবং আপনি নিজেকে সামলে নেয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় পেয়ে যাবেন।

ভাইভা বোর্ড, প্রেজেন্টেশন এর সময়ে এমন ঘটনা ঘটেই থাকে, এবার এমন পরিস্থিতিতে পড়লে অবশ্যই এটি অনুসরণ করবেন, আমি কথা দিচ্ছি এটা অবশ্যই কাজে দেবে।
2.সাইকোলজির হিসাবে, যখন কোন ফ্রেন্ড সার্কেল বা গ্রুপ যখন একসাথে আড্ডা দেয়, গল্প করে বা কোন কাজ করে, তখন যদি তাদেএ ভিতর কেউ আপনাকে বারবার খেয়াল করে বা আপনার দিকে তাকায়, তাহলে বুঝে নেবেন সে আপনাকে পছন্দ করে বা আপনার উপর তার বিশেষ কোনো ফিলিংস আছে।

এটা সাইকোলজির হিসাব, চাইলে মিলিয়ে নিতে পারেন। যদি মিথ্যা হয় তখন না হয় কমেন্টে আমাকে গালি দিয়ে যাবেন।
3.পরের ফ্যাক্ট হলো, আপনি যদি কোন ব্যক্তির মানসিকতা বা তার অভ্যাস বা চরিত্র সম্বন্ধে জানতে চান, তাহলে তার বিশেষ কিছু আচরণের দিকে খেয়াল করুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন সেই ব্যক্তিটি আসলে কেমন মানসিকতার।
সেটি হচ্ছে, সেই ব্যক্তির কোনো চায়ের দোকানদার, মুচি, বা রেস্টুরেন্টের স্টাফদের সাথে কেমন আচরণ করে তা খেয়াল করুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন সেই ব্যক্তিটি আসলে কেমন চরিত্রের বা মানসিকতার।
4.এইবারের ফ্যাক্টটি একটু অন্যরকম। এটা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন তবে আমি এটির ১০০% নিশ্চয়তা দেবোনা যে এটা সবার বেলায় খাটবে। বিষয়টি হলো, যখন আপনি বা অন্যকেউ আপনার সাথে মিথ্যা কথা বলবে, তখন সে বা আপনি নিজেই, নিজের স্বস্তির জন্য হাত বা পা নাড়িয়ে কথা বলতে থাকবেন।

কেননা মিথ্যা বলার সময়ে সবাই খুব উত্তেজিত হয়ে পড়ে আর স্বস্তি পাওয়ার জন্য হাত বা পা নাড়িয়ে থাকে।
5.মিথ্যা বলা বিষয়ক আরেকটি সাইকোলজিক্যাল ফ্যাক্ট হল, যখন কেউ মিথ্যা কথা বলে, তখন সে সামনে থাকা কোনো ব্যক্তির চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারেনা। এটা স্বাভাবিক, কারণ তার মন তাকে মিথ্যা বলায় সঙ্গ দিলেও, তার মস্তিষ্ক তখন গিল্টি ফিল করা শুরু করে, ফলে সে চোখে চোখ রেখে কথা আর বলতে পারেনা।

তবে আপনি যদি কখনো টের পান যে কেউ চোখে চোখ রেখেও কনফিডেন্টলি আপনার সাথে মিথ্যা বলে বা বলছে, তার থেকে দূরত্ব বজায় রাখলেই ভালো করবেন।
6.যখনি কোনো কাজ শুরু করার কথা ভাববেন, তখন অবশ্যই দিনের শুরু বা শেষ অংশ বেছে নিন। এতে আপনার সফল হওয়ার সম্ভাবনা ৮০% বেড়ে যাবে।
যেমন ধরুন যদি আপনি ভাইবা বোর্ড এ যাচ্ছেন, চেষ্টা করবেন একদম প্রথমে বা একদম শেষের দিকে যাওয়ার, আমি বলছি আপনি সফল হবেন। একবার চেষ্টা করেই দেখুন আর বুঝে নিন এই ম্যাজিকাল ফ্যাক্ট এর জাদু।
7.এবার যে ফ্যাক্ট এর কথা বলবো, সেটা খুব কাজে দেবে আপনার। এই ফ্যাক্টটি বড় বড় সফল ব্যক্তি বা সেলিব্রিটিরা কাজে লাগিয়ে থাকেন। এটা হচ্ছে, যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে, যতটা পারবেন সময় নেবেন, এতে আপনি প্রশ্নটির উত্তর সম্বন্ধে চিন্তা করার এবং উত্তর সাজানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় পেয়ে যাবেন।

বড় বড় সফল ব্যক্তিরা বলেছেন এই ফ্যাক্ট এর কথা, চাইকে আজকেই একবার পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
8.এবার যে ফ্যাক্ট এর কথা বলবো, তা আশা করি সবারই কাজে আসবে। বিষয়টি হলো, কোনো দিন যদি রাতে আপনার রাতে ঘুম না হয়, এবং সকালে উঠে যদি বিষয়টি ফিল করেন, তাহলে নিজের মনকে এটা বোঝান যে, আপনার খুব ভালো ঘুম হয়েছে।

হয়তো আপনাদের অবাক লাগছে শুনে, কিন্তু আমি বলছি এই ফ্যাক্ট সবার জন্য কাজে দেবে এবং আপনার মস্তিষ্কও অবিশ্বাস্যভাবে এই কথা মেনে নেবে ও আপনার ক্লান্তিও কেটে যাবে।
9.এবারের ফ্যাক্ট হলো, বেশির ভাগ সময় এমন ঘটে যে, ভবিষ্যতে আমরা কোনো ঘটনা সমন্ধে আমরা যেটা ভেবে রাখি বা কল্পনা করি, ৮০% সময়েই সেরকম হয়না এবং আমরা বোকা বনে যাই।
আমরা ভেবে রাখি যে এরকম হবে আর এরকম কাজ করবো, কিন্তু সেটা হয়না। তাই এবার থেকে ভাবনার বাইরেও কিছু জিনিসের জন্য প্রস্তুত থাকবেন, ভালো হবে।

10.আমাদের শেষ ফ্যাক্ট হলো, যেসকল ব্যক্তি বিভিন্ন জিনিসের সমাধান করে থাকেন বা যেসকল বিষয়ে অভিজ্ঞ, তারা সেই বিষয়টি অবশ্যই জীবনে অনেক বার ফেস করেছেন বা কাউকে ফেস করতে প্রত্যক্ষ করেছেন।
তারা সেই অভিজ্ঞত্তা থেকেই সবার সমাধান করে থাকেন বা সেটা কাজে লাগান। আপনি বিষয়টি চাইলে আজই বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

আপু...আপু...মা আপু কোথায়?

Tue Apr 6 , 2021
আপু…আপু…মা আপু কোথায়? দেখ গিয়ে রুমে।সেখানেই আছে হয়তো…! শাওন তার আপুর রুমের দিকে এগিয়ে যায়।দরজা খোলতেই তার আপু আতকে উঠে।তাড়াহুড়ো করে ওড়না দিয়ে চোখ মুছে হাসি মুখে বলেঃ -ভাই,আমাকে ডাকছিলি? শাওন কথা বলে না।সে তার বোনের চোখের দিকে তাকিয়ে আছে।তাড়াহুড়ো করে চোখের পানি মুছে ফেললেও চোখের কোণে জমে থাকা অশ্রু […]